রাজ্যে পালাবদলের পর তোলাবাজি, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মামলায় একের-পর-এক তৃণমূলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের শ্রীঘরে ঠাঁই হচ্ছে। এই তালিকায় সর্বশেষ আপডেট কি কলকাতা পৌরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র ও প্রাক্তন তৃণম...
রাজ্যে পালাবদলের পর তোলাবাজি, দুর্নীতি ও জালিয়াতির মামলায় একের-পর-এক তৃণমূলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের শ্রীঘরে ঠাঁই হচ্ছে। এই তালিকায় সর্বশেষ আপডেট কি কলকাতা পৌরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র ও প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অতীন ঘোষ?
কী অভিযোগ?
অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে জমি জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। জনৈক ব্যবসায়ীর দাবি, জোর করে, প্রভাব খাটিয়ে তাঁর জমি-বাড়ি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে নামমাত্র মূল্যে। ঘটনাটি ঘটে ২০১৭ সালে। প্রথমে প্রগতি ময়দান থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। কারণ, ওই সম্পত্তিটি ওই থানার এক্তিয়ারভুক্ত। যদিও, কলকাতা পুলিস সেই অভিযোগ বিধাননগর উত্তর থানায় পাঠিয়ে দেয়। ব্যবসায়ীর বাড়ি ওই এলাকার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়।
এফআইআর-এর ভিত্তিতে তদন্তে নেমে বিধাননগর উত্তর থানা অতীন ঘোষ ও তাঁর কন্যাকে তলব করেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আগে হাইকোর্টে গিয়ে রক্ষাকবচ চাইবেন অতীন, তারপর থানায় যাওয়ার কথা ভাববেন। যদিও, সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, হাইকোর্ট রক্ষাকবচ দিক-না-দিক, দীর্ঘদিন তলব এড়িয়ে থাকতে পারবেন না অতীন। ঠিক যেমনটা পারেননি অরূপ বিশ্বাস। পুলিসি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর-পর তিনবার সিআইডি-র তলবি নোটিস পেয়েও নানা অজুহাতে ভবানীভবনে যাননি। পরে যখন হাইকোর্টে রক্ষাকবচ চাইতে যান অভিষেকের আইনজীবী, তখন আদালত রীতিমতো ভর্ৎসনা করে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে বলে তাঁর মক্কেলকে। অল্পকিছুদিনের জন্য রক্ষাকবচও দেওয়া হয়। ওইদিনই ভবানীভবন গিয়ে সিআইডি-র মুখোমুখি হন অভিষেক।
প্রসঙ্গত, মেসিকাণ্ডে বিধাননগর পুলিসের তলব পেয়ে, জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়ে দলে শিবির বদল করেন অরূপ। অতীন এবার কোন পথে হাঁটেন, দেখা যাক।