অসীম সেন: সামনে ২১ জুলাই। আর মাস খানেক বাকি আছে। মনোতোষ সাহা কিছুদিন আগেও ছোট খাট বাঁশ ত্রিপলের ব্যবসা করতেন। এখন গোটা বাঁশের সাম্রাজ্য। মন্টু দা এবার বোধহয় শহিদ দিবসের ম্যারাপ বাঁধবেন না।সায়ন্তিকা দি...
অসীম সেন: সামনে ২১ জুলাই। আর মাস খানেক বাকি আছে। মনোতোষ সাহা কিছুদিন আগেও ছোট খাট বাঁশ ত্রিপলের ব্যবসা করতেন। এখন গোটা বাঁশের সাম্রাজ্য। মন্টু দা এবার বোধহয় শহিদ দিবসের ম্যারাপ বাঁধবেন না।সায়ন্তিকা দিদি হাত নাড়বেন না। কৌশানি নৃত্য পরিবেশ করবেন না। অদিতি দিদি কীর্তনের মুন্সিয়ানা দেখাবেন না। শতাব্দী দিদি ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে আসতে আতঙ্ক বোধ করবেন। এনারা যেমন তেমন। আসবেন না কাকলী দি। সুজিত বসু আপাতত গ্যারেজে। হারাধনের কুরুবংশে বাতি দেওয়ার মত আর তেমন ভাবে নেই, যে কজন আছেন, তারা কখন আছেন, কতক্ষণ আছেন সঠিক ভাবে বলা যায় না।
গতবছরেও ২১ জুলাই বেশ একটা হচ্ছে-গিয়ে ফিলিংস ছিল। এবার সে দিন গিয়েছে। নতুন করে একটা পুরানো প্রশ্ন আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে, ২১ জুলাই আসলে কার? দীর্ঘদিন ধরে শহিদ দিবসের মঞ্চে পাগলু সংস্কৃতি দেখেছেন কংগ্রেস কর্মীরা। শিবঠাকুরের আজব দেশে নিয়ম কানুন সর্বনেশে। দিদির জামানায় মুখ খোলা যায়নি। এবার পালা বদলে জল পেয়েছে কংগ্রেস। এবার সমারোহে ২১ জুলাই পালনের পরিকল্পনা কংগ্রেসের তরফে। তারা এবার শহিদ মিনার ময়দানে সভা আয়োজনের প্রস্তুতি করছে। উপস্থিত থাকতে পারেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গের মত জাতীয় নেতৃত্ব।
অন্যদিকে এখনও দিদির তরফে কর্মসূচি নিয়ে স্পিক টু নট। মুরগিরা এবার কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত হবে। ডিমের টার্গেট বেঁধে দিতেন তৃণমূল নেতারা। তবে ভয় অন্য জায়গায়। এখন তো আবার ডিমের চাহিদা শুধু খাবার জন্য নয়। যাই হোক ২১ জুলাইয়ের নামে মোচ্ছব হয়তো হবে না। তবে শহিদদের স্মরণ অবশ্যই হবে। ওপাশে কালীঘাটে ম্যাডাম আবার দিন বদলের আশায় হ্যামলিনের মত মেলোডিকায় উই শ্যাল ওভার কাম গানের সুর তুলবেন। তাঁর সুরে ইঁদুরের দল গর্ত ছেড়ে বেড়োবে হেলমেট পড়ে। ডিমের ভয় আছে না।