২০২৪-এ লোকসভা ভোটে অনেক বিধায়ক কেই প্রার্থী করেছিল তৃণমূল ও বিজেপি। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা গিয়েছে অনেকেই লোকসভা ভোটে জিতেছেন আবার অনেকেই হেরেছেন। সেকারণেই রাজ্য়ে ১০ টি বিধানসভায় উপ-নির্বাচন...
২০২৪-এ লোকসভা ভোটে অনেক বিধায়ক কেই প্রার্থী করেছিল তৃণমূল ও বিজেপি। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা গিয়েছে অনেকেই লোকসভা ভোটে জিতেছেন আবার অনেকেই হেরেছেন। সেকারণেই রাজ্য়ে ১০ টি বিধানসভায় উপ-নির্বাচনের প্রয়োজন রায়েছে। তবে এর মধ্য়ে লোকসভায় জয়ী-বিজয়ী প্রার্থীদের বিধানসভাও রয়েছে।
কোচবিহার লোকসভায় তৃণমূলের হয়ে জিতেছেন জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া। তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে হারিয়েছেন। ফলে জগদীশচন্দ্র বসুনিয়াকে বিধায়কের পদ ছাড়তে হবে। সেকারণে সিতাই বিধান সভায় উপ-নির্বাচন প্রয়োজন। তেমনই আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট বিধানসভার বিধায়ক বিজেপির মনোজ টিগ্গা। তিনিও ভোটে জিতেছেন।একই কারণে সেখানেও হবে উপ-নির্বাচন। একই ভাবে ব্যারাকপুর লোকসভায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক জিতেছেন। তাই তাঁকেও ছাড়তে হবে নৈহাটি বিধানসভার বিধায়ক পদ। ফলে সেখানেও দরকার উপ-নির্বাচন। একই ভাবে বাঁকুড়ার তালড্যাংড়া, মেদিনীপুর এবং উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ছ’মাসের মধ্যে। জানা গিয়েছে, উপনির্বাচন হবে লোকসভায় পরাজিত তিন বিধায়কের বিধানসভা কেন্দ্রেও। সেই কেন্দ্রগুলি হল বাগদা, রানাঘাট দক্ষিণ এবং রায়গঞ্জ। এদের সঙ্গে যুক্ত হবে কলকাতার মানিকতলা। কারণ সাধন পাণ্ডের মৃত্যুর পরে মানিকতলা বিধায়কহীন হয়ে রয়েছে।
উপ-নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্য়েই আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক নেতার প্রার্থী হওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে কালীঘাটে কান পাতলে। হারের ধাক্কার পর বিজেপিতে অবশ্য এ সব নিয়ে এখনও তেমন কোনও আলোচনা নেই।