বাংলার শাসকদলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অন্যতম কর্তা বিনেশ চাণ্ডেলকে কয়লা পাচার সংক্রান্ত এক মামলায় দিল্লিতে গ্রেফতার করে ইডি। বঙ্গে দু'দফা ভোটগ্রহণ পর্ব মিটতেই জামিন পেলেন বিনেশ। সূত্রের খবর, বৃ...
বাংলার শাসকদলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের অন্যতম কর্তা বিনেশ চাণ্ডেলকে কয়লা পাচার সংক্রান্ত এক মামলায় দিল্লিতে গ্রেফতার করে ইডি। বঙ্গে দু'দফা ভোটগ্রহণ পর্ব মিটতেই জামিন পেলেন বিনেশ। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার তাঁর জামিন মঞ্জুর করে দিল্লির পাটিয়ালা হাউজ কোর্ট। এমনকি জানা যাচ্ছে, ইডি তাঁর জামিনের আবেদনের কোনও বিরোধিতা করেনি।
প্রশান্ত কিশোর আইপ্যাক ছেড়ে যাওয়ার পর প্রতীক জৈন সংস্থার প্রথমজন এবং দ্বিতীয়জন হলেন ভিনেশ চাণ্ডেল। বাংলার শাসকদলের পরামর্শদাতা সংস্থার অন্যতম এক কর্তার গ্রেফতারিতে চর্চা শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে।
বছরের গোড়ায় আইপ্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে অভিযান চালায় ইডি। অভিযান চলাকালীন প্রতীকের রডন স্ট্রিটের বাড়িতে নজিরবিহীন ভাবে ঢুকে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং, একটি ফাইল হাতে করে বেরিয়ে এসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তোপ দাগেন। এরপর সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির সময়েও ঘটনাস্থলে ঢুকে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে আমলা-পুলিসদের ভূমিকা নিয়েও। ইডি অভিযানের সময়ে কলকাতার তৎকালীন পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা থেকে শুরু করে রাজ্যের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং রীতিমতো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আমলাদের মধ্যে সদ্য মুখ্যসচিব হওয়া নন্দিনী চক্রবর্তীও সেখানে উপস্থিত হন। ঘটনার জল অনেকদূর অবধি গড়ায়। নজিরবিহীনভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নামে অভিযোগ জানিয়ে প্রথমে হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। পুরো ঘটনার সিবিআই তদন্তের আবেদন জানানো হয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে। সেই মামলা এখনও চলছে। চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।