দীর্ঘ জল্পনার পর প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। সেই তালিকায় বাদ যাওয়া নামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে বেশি রয়েছেন সংখ্যালঘুরা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৬০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছেন বিচার...
দীর্ঘ জল্পনার পর প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। সেই তালিকায় বাদ যাওয়া নামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে বেশি রয়েছেন সংখ্যালঘুরা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৬০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছেন বিচারাধীন।
যেখানে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং দুই ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভা কেন্দ্রে সব থেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিচার ব্যবস্থার কাছে বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যাও সব থেকে বেশি এই সব জেলায়। প্রকাশিত SIR এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী পরিসংখ্যান বলছে, মালদহে খসড়া তালিকায় ২ লক্ষ ১ হাজার ৮৭৩ জনের নাম বাদ গিয়েছিল। চূড়ান্ত তালিকায় সংখ্যাটা ২ লক্ষ ২০ হাজার ১৫৩। সেই অনুযায়ী বিচার করলে আরও ১৮ হাজার ২৮০ নাম বাদ গিয়েছে।
মুর্শিদাবাদে খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছিল ২ লক্ষ ৭৮ হাজার জনের। আর চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গেল আরও ১৪ হাজার ৯৮৫ নাম। সব মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ ৯৩ হাজার। আবার উত্তর ২৪ পরগনার একাংশে মতুয়ারা যেমন থাকেন, তেমনি সংখ্যালঘু অধ্যোষিত বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রও আছে। সেই জেলায় খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছিল ৭ লক্ষ ৯২ হাজারের উপর। চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল নাম বাদ গেছে আরও ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৯৭ জনের।
আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় খসড়া তালিকায় ৮ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৩২ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল আরও ৮৭ হাজার ৫৪৮ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ এই চার জেলায় অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নামও উল্লেখযোগ্য হারে বাদ গিয়েছে। অন্যদিকে, ৬০ লাখ এর বেশি মানুষের নাম বিচারাধীন। যার মধ্যে শুধুমাত্র সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ আর মালদহেই ২০ লাখ। এর সাথে দুই ২৪ পরগনা আর উত্তর দিনাজপুরের সংখ্যা যোগ করলেই প্রায় ৪০ লাখ সংখ্যালঘু মানুষের নাম বিচারাধীন পর্যায়ে রয়েছে।