রাজ্যে পালাবদলের পরই বঙ্গবাসীকে একের পর এক ধামাকাদার উপহার বিজেপি সরকারের।রাজ্যে আমূলের বিরাট বিনিয়োগ। হাওড়ায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি হবে। ১৪ই জুন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে আসছেন দে...
রাজ্যে পালাবদলের পরই বঙ্গবাসীকে একের পর এক ধামাকাদার উপহার বিজেপি সরকারের।
রাজ্যে আমূলের বিরাট বিনিয়োগ। হাওড়ায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি হবে। ১৪ই
জুন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে আসছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাওড়ার ধুলাগড়ে চলছে চূড়ান্ত
পর্যায়ের কাজ। তৈরি হচ্ছে নতুন রাস্তা। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে প্রথম প্ল্যান্টের
ভিত্তিপ্রস্তর।
সূত্রের খবর, গত শনিবার নবান্নে আমূল ডেয়ারি কর্ণধারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়। শনিবার
গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশনের MD-এর সঙ্গে বৈঠক হয়। রাজ্যে প্রায়
৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়তে চলেছে ভারতের
আইকনিক ডেয়ারি ব্র্যান্ড ‘আমূল’।
আমূল ভারতের নিজস্ব প্রডাক্ট। ভারতের এক নম্বর মিল্ক কোম্পানি ৷ ভারতের সবচেয়ে বেশি দুধ
উৎপাদনকারী সংস্থা। পরিবর্তনের বাংলায় এখন গুজরাত মডেল ৷ দুধ উৎপাদনে আমূলের গুজরাত
মডেল। লাভের বেশিরভাগটাই সরাসরি পান গোয়ালারা ৷ চারের দশকে ভারতে দুধের ঘাটতি দেখা
দেয়। দুধ উৎপাদনকারীদের মধ্যে সঠিক মূল্য না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয় ৷ গুজরাতের আনন্দে
তৈরি করা হয় দুগ্ধ সমবায়। ১৯৪৬ সালে তৈরি করা হয় আনন্দ মিল্ক ইউনিয়ন লিমিটেড (AMUL)।
সংক্ষেপে আমূল ২০২৫-২০২৬ অর্থবর্ষে আমূলের টার্নওভার ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ৷ আনন্দে
আমূলের ফ্যাক্টরিতে প্রতিদিন ৪৮ লক্ষ লিটার দুধ কালেকশন হয়। আমূলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন
প্রায় ৩৬ লক্ষ গোয়ালা ৷ ১৮ হাজার ৬০০ গ্রামীণ সমবায় সমিতি আমূলের সঙ্গে জড়িত ৷ আমূল
ত্রি-স্তরীয় সমবায় সমিতি মডেলে চলে ৷ তিনটি স্তর – গ্রামীণ দুগ্ধ সমবায় সমিতি, জেলা সমবায়
ইউনিয়ন, রাজ্যস্তরের ফেডারেশন ৷ রাজ্যস্তরের ফেডারেশন বিপণনের বিষয়টি দেখে।