সব দিক থেকেই ভেঙে চুরমার হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল। পরিষদীয় দলের পর এবার ফাঁটল ধরেছে তৃণমূলের সংসদীয় দলেও। এমতাবস্থায় 'বিদ্রোহী' ১৯ জন সাংসদের সই সম্বলিত একটি পাতা প্রকাশ্যে এসেছে। জানা...
সব দিক থেকেই ভেঙে চুরমার হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল। পরিষদীয় দলের পর এবার ফাঁটল ধরেছে তৃণমূলের সংসদীয় দলেও। এমতাবস্থায় 'বিদ্রোহী' ১৯ জন সাংসদের সই সম্বলিত একটি পাতা প্রকাশ্যে এসেছে। জানা যাচ্ছে, ওই ১৯ জন সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি দিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির আর্জি জানিয়েছেন। বলে রাখা ভালো, বিদ্রোহী সাংসদদের মধ্যে অধিকাংশই একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন ছিলেন।
জানা যাচ্ছে, প্রকাশিত কাগজে প্রথমেই স্বাক্ষর রয়েছে বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। যেখানে তাঁর স্বাক্ষরের পাশে লেখা রয়েছে লোকসভার চিফ হুইপের পদ। এরপর ক্রমানুযায়ী রয়েছে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের স্বাক্ষর। তারপর স্বাক্ষর করেছেন মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার, বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার, হাওড়ার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তীর।
এরপর স্বাক্ষর রয়েছে ঝাড়গ্রামের সাংসদ কালীপদ সরেন, ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবের। মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিকের। প্রকাশিত চিঠিতে ১২ নম্বরের পর ১৩ নম্বরে কারও নাম নেই। ১৪ নম্বরে নাম রয়েছে জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমানের। তারপর ক্রমানুযায়ী রয়েছেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান, আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ এবং কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়। রয়েছে হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের স্বাক্ষরও।
সূত্রের খবর, 'বিদ্রোহী' সাংসদরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে আর্জি জানিয়েছেন যে, কাকলির নেতৃত্বে তাঁদের আলাদা ব্লক হিসাবে গণ্য করা হোক। তবে ওই চিঠির উত্তরে স্পিকার কিছু জানিয়েছেন কিনা, তা এখনও। রাজনীতিতে যে সবই সম্ভব, তা উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আরও একবার প্রমাণিত হল। এমতাবস্থায় কাকলিদের আর্জি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেই দিকেই থাকবে নজর।