মমতা বন্দোপাধ্যায়কে মারার ছক? সেই আশঙ্কা প্রশ্ন করছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। পুরুলিয়ার সভামঞ্চ থেকে সেই আশঙ্কা উস্কে দিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। গতকাল, শনিবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় এসে তৃণমূ...
মমতা বন্দোপাধ্যায়কে মারার ছক? সেই আশঙ্কা প্রশ্ন করছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। পুরুলিয়ার সভামঞ্চ থেকে সেই আশঙ্কা উস্কে দিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। গতকাল, শনিবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় এসে তৃণমূল নেত্রীর আঘাত ও ‘ব্যান্ডেজ’ বিষয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। সেই বিষয় নিয়েই এদিন তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেন তিনি। এদিন রাজ্য সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে শুরুতে বার্তা দেন মমতা। এরপরই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নাম না করে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁকে কি মারার পরিকল্পনা করা হচ্ছে? সেই আশঙ্কা করে এদিন মমতা বলেন, “বলছে, আমি নাকি ভোটের সময় ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরে বেড়াই। ওরে অপদার্থ, আমি মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার ফিরে এসেছি। হাসপাতালে গিয়ে রিপোর্ট নাও।
গতকাল, কলকাতায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এক একটি ইস্যু ধরে দীর্ঘ এক চার্জশিট পেশ করেন। একে ‘জনতার চার্জশিট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমোর উদ্দেশে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, “ভোট এলেই উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভিকটিম কার্ড খেলেন। কখনও পা ভাঙা, কখনও মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা, কখনও অসুস্থতার ভান করেন। মানুষ এসব ভিকটিম কার্ডের খেলা বুঝে গিয়েছেন।” সেই বক্তব্য নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রবল ক্ষোভপ্রকাশ করা হয়েছে।
আজ, রবিবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের প্রার্থীদের সমর্থনে পুরুলিয়ার মানবাজারে পাথরকাটা ফুটবল গ্রাউন্ডে সভা করেন। সেখানেই তিনি বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। শুধু তাই নয়, অমিট শাহকেও তীব্র আক্রমণ করেন। গতকালের শাহের বক্তব্যের পালটা মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, “বলছে, আমি নাকি ভোটের সময় ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরে বেড়াই। ওরে অপদার্থ, আমি মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার ফিরে এসেছি। হাসপাতালে গিয়ে রিপোর্ট নাও।” এরপরই আরও সুর চড়িয়ে নেত্রী বলেন, “একুশের নির্বাচনে ইচ্ছে করে পায়ে চোট করিয়েছিলে, হুইলচেয়ারে প্রচার করেছি। আমাকে মারার পরিকল্পনা করছ?” তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায়, “এটা চরিত্র হনন শুধু নয়, এটা মারার পরিকল্পনা। কিন্তু জানেন তো, রাখে কৃষ্ণ, মারে কে? অপরাধীরা অপরাধের পর কিছু চিহ্ন ছেড়ে যায়।”