তৃণমূলের আমলে না এসেছে শিল্প, না হয়েছে কর্মসংস্থান। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। বঙ্গ খরা কাটছে শিল্পেরও। ক্ষমতায় বিজেপি সরকারে আসার পর শমীক ভট্টাচার্য বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যে শ...
তৃণমূলের আমলে না এসেছে শিল্প, না হয়েছে কর্মসংস্থান। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। বঙ্গ খরা কাটছে শিল্পেরও। ক্ষমতায় বিজেপি সরকারে আসার পর শমীক ভট্টাচার্য বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যে শিল্প আসবে। ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে বিজেপি। এবার ফের একবার শিল্পের বার্তা শমীকের। তিনি বলেন, বিনিয়োগ নিয়ে প্রতিনিধিরা আসছেন বাংলায় বিনিয়োগ করতে তাঁরা ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই নিয়ে শিল্পমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি নদিয়ার কল্যাণী থেকে শমীক ভট্টাচার্যের দাবি করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে বড় শিল্প আনতেই হবে। এছাড়া আর কোনও ভাবে রাজ্যকে বাঁচানো যাবে না। কিন্তু শিল্পপতিদের কাজে আগামী দিনে কোনও রাজনৈতিক দল হস্তক্ষেপ করবে না। কারণ রাজ্যের বর্তমান সরকার কোনও রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে কাজ করে না। এই সরকার শুধুই জনতার সরকার। ভরসা বিজেপির রাজ্য সভপতির।
ফের একবার তাঁর মুখে শোনা গেল একই বার্তা। তিনি বলেন, মূল লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া। ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে ভারতের মোট জিডিপিতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান ছিল প্রায় ১০.৫%, এবং তারও আগে ১৯৪৭ সালের দিকে রাজ্যের শিল্প জিডিপি অবদান ছিল প্রায় ২৫% থেকে ২৭% পর্যন্ত। পরবর্তীতে অন্যান্য রাজ্যের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির কারণে জাতীয় জিডিপিতে এই রাজ্যের অবদান কমে বর্তমানে প্রায় ৫.৫% থেকে ৬% এর কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, শিল্পক্ষেত্রে এই অবদানের পতনের মূল কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হল জমি অধিগ্রহণে জটিলতা এবং বিভিন্ন দুর্নীতি বা সিন্ডিকেট রাজ। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিগত বছরগুলিতে যে পরিস্থিতি হয়েছে তা বদল আনতে শিল্পায়ন প্রয়োজন।
ইভিও- ইতিমধ্যে দুগ্ধ ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষেত্রে বাংলায় আমুল কোম্পানি প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগোর করছে। পশ্চিমবঙ্গে টাটা গোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তন নিয়ে এক নতুন আশার আলো তৈরি হয়েছে। ফলে বলা বাহুল্য ধীরে ধীরে কাটছে শিল্পের খরা।