চেনা বন্দরকে অচেনা লাগছে আজ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম সৈনিক ফিরহাদ হাকিম নিজের গড় বন্দর এলাকায় প্রচারে গিয়ে যা বললেন, তাতে করে তেমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।কী বলেছেন ফিরহাদ?কলকাতা বন্দর ব...
চেনা বন্দরকে অচেনা লাগছে আজ?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম সৈনিক ফিরহাদ হাকিম নিজের গড় বন্দর এলাকায় প্রচারে গিয়ে যা বললেন, তাতে করে তেমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
কী বলেছেন ফিরহাদ?
কলকাতা বন্দর বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত বিজেপি আপনার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে পারেনি, কী বলবেন? ফিরহাদের উত্তর, "আমি যা শুনলাম, ওঁরা (বিজেপি নেতারা) হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। একজন লোক আছেন, মাসলম্যান। ওঁকে জেল থেকে বার করে এনে এখানে প্রার্থী করা হবে। ওঁরা ক্রিমিনালকে নিয়ে এসে প্রার্থী করার চেষ্টা করছে আমার বিরুদ্ধে। তবে আমরা ক্রিমিনালদের পাত্তা দিই না"।
পর্যবেক্ষকরা অবশ্য মনে করছেন, ফিরহাদ হাকিম চান বা না-চান, পাত্তা না-দিয়ে উপায় নেই তাঁর। এবং, তার প্রধান কারণ হল, নিজের গড়েই অনিশ্চিয়তার মধ্যে রয়েছেন তিনি। এসআইআর প্রক্রিয়ায় কমবেশি ৬০ হাজার নাম 'বাদ' গিয়েছে। ওয়াকফ ইস্যুতে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশই তৃণমূলের প্রতি ক্ষুণ্ণ। এমতাবস্থায়, ঘাসফুল শিবিররের সংখ্যালঘু ভোটে ভাগ বসাতে বদ্ধপরিকর হুমায়ুন, নওশাদ আর মিম-সুপ্রিমো ওয়েইসি। তাই 'ববিদা'র কাছে চেনা বন্দর অচেনা হয়ে উঠছে। নইলে, বিজেপি কাকে প্রার্থী করতে চাইছে, তিনি মাসলম্যান কি না, তা নিয়ে কোনওদিন ভাবতে হয়নি তাঁকে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মাসলম্যান তো কমবেশি সবদলেই থাকে। অন্তত, রাজ্যের শাসকদলের কাছে তো থাকেই। তাই, বিজেপি যদি মাসলম্যানকে দাঁড়ও করায়, তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মন্তব্য করার দরকার ছিল না তাঁর। যদিও, "আমরা ক্রিমিনালদের পাত্তা দিই না", তবুও, বেশ বোঝা যাচ্ছে, বন্দরে নোঙর করতে গিয়ে এবার জোয়ার-ভাঁটার কথাও ভাবতে হচ্ছে তৃণমূলকে।