জানুয়ারি মাসে ওই অভিযানের পর থেকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা শুরু হয় এবং তা চলতেই থাকে, তারিখ-পে-তারিখ। এদিন সেই মামলার শুনানি চলে বিচারপতি পিকে মিশ্র ও বিচারপতি এনভি আনজারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যের শাসকশ...
জানুয়ারি মাসে ওই অভিযানের পর থেকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা শুরু হয় এবং তা চলতেই থাকে, তারিখ-পে-তারিখ। এদিন সেই মামলার শুনানি চলে বিচারপতি পিকে মিশ্র ও বিচারপতি এনভি আনজারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যের শাসকশিবির ফের দাবি করে, আইপ্যাকে ইডি-র অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তখন বিচারপতি মিশ্রকে বলতে শোনা যায়, "এটা কোনও সাধারণ বিবাদ বিসম্বাদ নয়। কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধও নয়। তদন্তের স্বার্থে অভিযান চলাকালীন কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যদি মাঝপথে ঢুকে পড়েন সেখানে, তাহলে তা গণতন্ত্রের পক্ষে শুভ নয়"।
এখানেই শেষ নয়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলে, "একজন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সমস্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে গণতন্ত্রকে বিপদের মুখে ফেলেছেন"।
পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, জানুয়ারিতে আইপ্যাক অভিযানের সময়ে মুখ্যমন্ত্রীর আগে-পরে প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সেক্টর ফাইভের অফিসে রাজ্যের তাবড় আমলা, পুলিসকর্তাদের। দেখা যায় রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতা পুলিস কমিশনার মনোজ বর্মাকেও।
প্রসঙ্গত, ভোটের মুখে আইপ্যাককে নিয়ে ইডি-র সক্রিয়তা বেড়েছে। কখনও প্রতীক জৈনকে তলব, কখনও-বা তাঁর স্ত্রীকে তলব, কখনও আবার সংস্থার অন্যতম অধিকর্তা বিনেশ চাণ্ডেলকে দিল্লিকে গ্রেফতারি, সব চলতেই থাকছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে হাওয়ালার মাধ্যমে বেআইনিভাবে টাকার লেনদেনে নাম জড়িয়েছে আইপ্যাকের। এমতাবস্থায়, জানুয়ারির ঘটনায় রীতিমতো অপমানিত এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাই, আইপ্যাক-কাণ্ডে তেড়েফুঁড়ে নেমেছে ইডি।