বাংলাদেশি এক মহিলাকে পাচার করতে গিয়ে সিআইডির হাতে হাতেনাতে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম চিন্ময় দাস (৫৬)। বাড়ি বনগাঁয়। পুলিস সূত্রে খবর, গতকাল অর্থাৎ চিন্ময় দাস এক বাংলাদেশি মহিলাকে...
বাংলাদেশি এক মহিলাকে পাচার করতে গিয়ে সিআইডির হাতে হাতেনাতে গ্রেফতার এক ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম চিন্ময় দাস (৫৬)। বাড়ি বনগাঁয়। পুলিস সূত্রে খবর, গতকাল অর্থাৎ চিন্ময় দাস এক বাংলাদেশি মহিলাকে হাওড়া স্টেশনের বাইরে এক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়ার সময় সিআইডি আধিকারিকদের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়ে।
জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগে থেকেই পুলিস অপেক্ষা করছিল। চন্দন দাস ফতেমা নামে বছর তেইশের ওই মহিলাকে নিয়ে বাস থেকে নামতেই তাকে হাতেনাতে ধরে। তাঁর বিরুদ্ধে ফরেনার্স একটি মামলা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, বনগাঁর বাসিন্দা চিন্ময় দাস পেশায় জামাকাপড়ের ব্যবসা করতেন। তবে কিছুদিন হল তিনি বাড়িতে বসেই সেলাইয়ের কাজ করেন। তবে কিছুদিন আগে বনগাঁর টালিখোলার বাসিন্দা আফজলের সঙ্গে পরিচয় হয়। আফজল বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে আসা বাংলাদেশি ছেলে অথবা মেয়েকে তাঁর হাতে তুলে দিত। চন্দনের দায়িত্ব ছিল সেই ছেলেকে বা মেয়েকে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেওয়া। তার বিনিময়ে সে এক হাজার টাকা করে দক্ষিণা পেত।
গত, মঙ্গলবার আফজল তাঁকে চিরকুটে একটি মোবাইল নম্বার দিয়ে হাওড়ায় যেতে বলেছিল। চন্দন যখন হাওড়া স্টেশনের বাইরে এসে ওই নম্বারে ফোন করেন তখনই পুলিসের হাতে ধরা পড়ে। ধৃতকে আজ হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিস হেফাজতে নির্দেশ দেন। এছাড়াও পাচারের উদ্দেশ্যে এ দেশে আসা মহিলাকে আজ বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন। প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির অনুমান, চিন্ময় দাস মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত।