বঙ্গ রাজনীতিতে গত দু-দশকে বাইক বাহিনীর দাপট বেড়েই চলেছে। পাড়ার খুচরো নেতা থেকে শুরু করে রাজ্যস্তরের নেতারা পর্যন্ত ক্ষমতার দাপট দেখাতে বাইককেই বেছে নিয়েছেন। শাসক, বিরোধী নির্বিশেষে। শুধু দাপটই নয়।...
বঙ্গ রাজনীতিতে গত দু-দশকে বাইক বাহিনীর দাপট বেড়েই চলেছে। পাড়ার খুচরো নেতা থেকে শুরু করে রাজ্যস্তরের নেতারা পর্যন্ত ক্ষমতার দাপট দেখাতে বাইককেই বেছে নিয়েছেন। শাসক, বিরোধী নির্বিশেষে। শুধু দাপটই নয়। ভোটের দিন বা তার আগে-পড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করতেও বাইক বাহিনীকে নামিয়ে পথে নামায় রাজনৈতিক দল। এবং, দলীয় কর্মীর বাইকে বসে তাবড় নেতারা হেলমেটবিহীন দাপট দেখিয়ে কোথাও যেন বার্তা দেন: আমায় ছোঁবে কার সাধ্য?
বাংলার ভোট কালচার পাল্টাতে এবার বাইক বাহিনীর চাকার হাওয়া খুলে নিল নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকা জারি করা হল, সন্ধে ছ-টা থেকে সকাল ছ-টা পর্যন্ত বাইক ব্যবহার করা যাবে না। এদিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকরী হল। এবং, ভোটের দিন সকাল ছ-টা থেকে বিকেল ছ-টা পর্যন্ত রাস্তায় বাইক নিষিদ্ধ। তবে, আরোহীকে নিয়ে বাইক চালক যদি ভোট দিতে যান, সে ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
মোটর বাইক ব়্যালিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচারে কোনও রাজনৈতিক দল আর তথাকথিত বাইক-মিছিলের নামে দাপট দেখাতে পারবে না।
তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল এমার্জেন্সি-র ক্ষেত্রে বাইক ব্যবহার করা যাবে। পারিবারিক নিমন্ত্রণ রক্ষায় বাইক ব্যবহার করা যাবে। তবে দুই ক্ষেত্রেই পুলিস ও বাহিনী বাইক আরোহী ও সওয়ারদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হবে, তবেই ছাড় দেওয়া হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ, জানাচ্ছে কমিশন।