দিনদশেক আগে মালদহে এসে রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, বাংলায় বিজেপির পথ প্রশস্ত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই। রাজ্যের শাসক শিবিরের তুই তাবড় নেতা ব্রাত্য বসু ও কুণাল ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে যার পাল্...
দিনদশেক আগে মালদহে এসে রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, বাংলায় বিজেপির পথ প্রশস্ত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই। রাজ্যের শাসক শিবিরের তুই তাবড় নেতা ব্রাত্য বসু ও কুণাল ঘোষ সাংবাদিক বৈঠক করে যার পাল্টা বলেছিলেন, "একেবারে ফ্লপ নেতা। বিপদে পড়লে মাকে এগিয়ে দেন, কোণঠাসা হলে বোনকে ঠেলে দেন। এই তো ওঁর ট্র্যাক রেকর্ড। মা-বোনের ছায়া থেকে বেরোতে পারলেন না এখনও। এদিকে বড়দের মধ্যে কথা বলতে এসেছেন"।
ব্রাত্য-কুণালের কটাক্ষে তিনি যে দমবার পাত্র নন, তা বুঝিয়ে দিয়ে এদিন একটি ভিডিয়ো পোস্ট করলেন রাহুল গান্ধী। এবং, ওই ভিডিয়োতে আরও স্পষ্ট করে তিনি বললেন, "মমতাজি যদি বাংলাকে পোলারাইজ না-করতেন তাহলে বিজেপির রাস্তা খুলত না (পশ্চিমবঙ্গে)"।
এখানেই শেষ নয়। ওই ভিডিয়োতে আবারও ভ্রষ্টাচার ও দুর্নীতির প্রশ্নে বিঁধেছেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে। মাত্র ১৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োতে রাহুলকে বলতে শোনা যায়, "মমতাজি যদি স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন (সাফ-সুথরা) সরকার চালাতেন, মমতাজি যদি বাংলাকে পোলারাইজ না-করতেন তাহলে বিজেপির রাস্তা খুলত না"।
মালদহ থেকে মমতাকে বেঁধেন রাহুল
১৪ এপ্রিল মালদহে কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করতে এসে রাহুল গান্ধী প্রকাশ্যে বলেছিলেন, ''ভ্রষ্টাচারের দৌড়ে বিজেপির চেয়ে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই তৃণমূল''। এবং সেই সঙ্গে দাবি করেন, "বাংলায় একদিকে বিজেপি, যারা ঘৃণা ছড়ানোর রাজনীতি করে, হিংসার রাজনীতি করে। ওদের প্রধানমন্ত্রী কম্প্রোমাইজড। ওদের কথা তাই বলারই দরকার নেই। অন্যদিকে বাংলায় তৃণমূল বিজেপির জন্য পথ প্রশস্ত করছে। তৃণমূল যদি নিজেদের কাজ করতো, রোজগারের বন্দোবস্ত করতো, ঘৃণা না-ছড়াতো তাহলে এখানে বিজেপির (অস্তিত্ত্বের) কোনও প্রশ্নই উঠতো না। বিজেপি টিকতেই পারতো না। বাংলাতে আমাদের প্রার্থীকে সমর্থন করুন,আমাদের প্রার্থীদের বিধানসভায় পাঠান। বাংলাকে বদলানোর কাজ শুরু করুন"।