ভোট শেষ হয়েছে। বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হল শেষ পর্যন্ত?এদিন প্রথম দফার ভোটের প্রথমার্ধ মোটের ওপর নির্ঝঞ্ঝাট ছিল বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কিন্তু, দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু জায়গায় শুর...
ভোট শেষ হয়েছে। বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হল শেষ পর্যন্ত?
এদিন প্রথম দফার ভোটের প্রথমার্ধ মোটের ওপর নির্ঝঞ্ঝাট ছিল বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কিন্তু, দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু জায়গায় শুরু হয় অশান্তি। খয়রাশোল, দুবারাজপুর, কুমারগঞ্জ, কোথাও আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা, কোথাও-বা প্রাণভয়ে ছুটতে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলের প্রার্থীকে। তাহলে? কতটা 'ভয়শূন্য' ভোট হল এদিন?
সন্ধের দিকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করলেন, "মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিয়েছে"।
তাহলে খয়রাশোল, দুবরাজপুর, কুমারগঞ্জে কী হল? মুর্শিদাবাদে কী হল?
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ব্যাখ্যা, "বুথের ১০০ মিটারে মধ্যে তেমন কোনও গোলমাল হয়নি। তার বাইরে কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। এর কারণ হল, পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটের আগে রুটমার্চ করে এলাকায়। কিন্তু, ভোটের আগের রাত থেকে ৯৫ শতাংশ বাহিনী চলে আসে বুথে। তখন বাইরের টহলদারির জন্য ৫ শতাংশ বাহিনী থাকে। তাই, এদিন বুথের ১০০ মিটারের বাইরে কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে। তবে, কোনও বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি। সংঘর্ষে মৃত্যু বা গুরুতর জখমের ঘটনা কিন্তু ঘটেনি"।
মনোজ আগরওয়ালের পাশে বসে থাকা এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) জানান, নির্দিষ্ট ধারায় ৪১ জন গ্রেফতার হয়েছে আজকে। আর প্রতিরোধমূলক গ্রেফতারির সংখ্যা ৫৭০।
প্রসঙ্গত, এদিন দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারে বাংলায় এসে কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়ে নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছেন, "গত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম হিংসা হয়েছে এই ভোটে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছে"।
পর্যবেক্ষকরা অনেকেই বলছেন, অন্যবারের তুলনায় এবারের বিক্ষিপ্ত অশান্তি প্রায় কিছুই নয়। প্রথম পত্রে সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছে কমিশন।