পুলিস তাঁকে তলবি নোটিস পাঠিয়েছিল আগেই। তাঁর বাড়ির দরজায় পর্যন্ত সেঁটে দেওয়া হয়েছিল নোটিস। তবু, এদিন নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও বিধাননগর পুলিসের ডাকে হাজিরা দেননি রাজ্যের প্রাক্তন মন্...
পুলিস তাঁকে তলবি নোটিস পাঠিয়েছিল আগেই। তাঁর বাড়ির দরজায় পর্যন্ত সেঁটে দেওয়া হয়েছিল নোটিস। তবু, এদিন নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও বিধাননগর পুলিসের ডাকে হাজিরা দেননি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এমতাবস্থায়, সুরাহা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি জানান অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী কিশোর দত্ত। সেই আর্জি খারিজ করে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, পদ্ধতি মেনে মামলা দায়ের করে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। এমতাবস্থায় পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা এড়িয়ে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনলেন স্বরূপ-ভ্রাতা অরূপ। কারণ, আইনজীবী মহল মনে করে, তদন্তে সহযোগিতা করলে পুলিস অবিলম্বে গ্রেফতার করতে পারে না।
অরূপের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?
মেসিকাণ্ডে সল্টলেক স্টেডিয়াম যে ঘটনা ঘটেছিল, তার তদন্ত করতেই অরূপ বিশ্বাস কে ডেকে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, ওই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত সম্প্রতি বিধান নগর দক্ষিণ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। মন্ত্রী থাকাকালীন অরূপ বিশ্বাস তাঁর প্রভাব খাটিয়ে মাঠের ভিতর অনেককেই ঢোকার ব্যবস্থা করে দেন। এবং, পুরো অনুষ্ঠান ভন্ডুল হয়ে যায়। বহুমূল্যের টিকিট কেটে আসা দর্শক সেভাবে আর মেসিকে দেখতেই পান না। ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। পুলিস ওই ঘটনায় উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করে ঠিকই। কিন্তু, জামিন পেয়ে বেরিয়ে শতদ্রু দাবি করেন, ওই পরিস্থিতির জন্য তিনি দায়ী নন, দায়ী সম্পূর্ণ অরূপ বিশ্বাস। এরই মধ্যে রাজ্যে পালাবদল হয়। মেসিকাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসকে নোটিস দিয়ে ডেকে পাঠায় বিধাননগর পুলিস।