জ্যৈষ্ঠের প্রবল গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গের। সঙ্গে বেলা বাড়লে তীব্র তাপপ্রবাহের সমস্যা। এই দুই মিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে আট থেকে আশি। এমতাবস্থায় গরম থেকে কিছুটা নিস্তার পেতে স্কুলের পঠনপাঠনের সময়সূচ...
জ্যৈষ্ঠের প্রবল গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গের। সঙ্গে বেলা বাড়লে তীব্র তাপপ্রবাহের সমস্যা। এই দুই মিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে আট থেকে আশি। এমতাবস্থায় গরম থেকে কিছুটা নিস্তার পেতে স্কুলের পঠনপাঠনের সময়সূচীতে পরিবর্তন আনল রাজ্যের শিক্ষা দফতর। বিকাশ বভনের তরফে জারি করা একটি নির্দেশিকায় আগামী দু-সপ্তাহ 'ডে' স্কুলের পরিবর্তে 'মর্নিং' স্কুলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পার্বত্য অঞ্চলের জন্য এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে না।
মূলত শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্যের শিক্ষা দফতর। কারণ অতিরিক্ত গরমে বহু ক্ষেত্রেই স্কুলে অসুস্থ হয়ে পড়ে পড়ুয়ারা। কিছু ক্ষেত্রে শিশু মৃত্যু বা হিটস্ট্রোকের মত ঘটনাও দেখতে পাওয়া যায়। যার জেরে তুমুল ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় কর্তৃপক্ষকে। তাই যাবতীয় ঝুঁকি এড়াতে আগে থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য সরকার।
জানা যাচ্ছে, গতকাল অর্থাৎ সোমবারই বিকাশ ভবনের তরফে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট জানান হয়েছে, অতিরিক্ত গরম ও তাপপ্রবাহের জন্য বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠনের সময়ে কিছুটা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আপাতত গামী দু-সপ্তাহের জন্য এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে। তবে এই নির্দেশিকা পার্বত্য এলাকার স্কুলগুলোর জন্য নয়।