অবশেষে গ্রেফতার। পালিয়ে গিয়েও হল না শেষ রক্ষা। পুলিসের জালে ধরা পড়লেন স্বঘোষিত 'পুষ্পা' জাহাঙ্গীর খান। তাঁকে উত্তরবঙ্গ থেকে রাজ্য পুলিসের এসটিএফ গ্রেফতার করেছে বলে খবর সূত্রের। পুলিস সূত্রে খবর, ...
অবশেষে গ্রেফতার। পালিয়ে গিয়েও হল না শেষ রক্ষা। পুলিসের জালে ধরা পড়লেন স্বঘোষিত 'পুষ্পা' জাহাঙ্গীর খান। তাঁকে উত্তরবঙ্গ থেকে রাজ্য পুলিসের এসটিএফ গ্রেফতার করেছে বলে খবর সূত্রের। পুলিস সূত্রে খবর, জাহাঙ্গিরকে গ্রেফতার করে ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, নেপাল সীমান্ত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে 'পুষ্পা'কে গ্রেফতার করে এসটিএফ-এর আধিকারিকেরা।
যদিও এই প্রথম না। ছাব্বিশের ভোট আবহেই ঝুঁকতে বাধ্য হয়েছিলেন 'পুষ্পা'। গত ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেই ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়েছিলেন, 'আমার স্বপ্ন ছিল সোনার ফলতার। তাই আমাদের সম্মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশ্যাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। সেই জন্য আমি ২১ মে যে পুনর্নির্বাচন আছে, সেই লড়াই থেকে আমি নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম।' যদিও নির্বাচনী লড়াইয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও ইভিএমে তৃণমূলের প্রতীকের পাশে জাহাঙ্গিরের নাম ছিল।
এমতাবস্থায় গত ২৪ মে নির্বাচনের ফল বেরোলে দেখা যায়, ফলতায় ১ লক্ষ ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ৪০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিপিএম। আর মাত্র ৭৭৮৩টি ভোট পড়েছিল জাহাঙ্গিরের কপালে। আর তার পর থেকেই কার্যত বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এলাকা ছেড়ে 'ফেরার' হয়েছিলেন।
ফলতা বিধানসভার পুনর্নির্বাচনের আগে কলকাতা হাইকোর্টের থেকে একটি রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির। কিন্তু গত ২৬ মে জাহাঙ্গিরকে দেওয়া সমস্ত রক্ষাকবচই প্রত্যাহার করে নেয় আদালত। ফলে জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারির পথ বাধা মুখ হয় পুলিসের কাছে। আর সেই আতঙ্কেই তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।