সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল নাবালক। স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। তাই রোজকার মত আজ, বুধবারও সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল সে। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই একটি ফোন যায় তা...
সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল নাবালক। স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। তাই রোজকার মত আজ, বুধবারও সকাল সকাল বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল সে। কিন্তু স্কুলে যাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই একটি ফোন যায় তার বাড়িতে। মুহূর্তে দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যায় নাবালকের মা-বাবার। ফোনের ওপার থেকে ছেলের করুন পরিণতির খবর পান পরিবার। পরে স্কুলের তরফে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে নাবালকের মৃত্যু নিশ্চিত করেন চিকিৎসকরা। ঘটনায় বিদ্যালয় এবং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। অষ্টম শ্রেণীর পুত্রকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ এলাকা।
জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের কোদালিয়ায়। সেখানে একটি নামি বেসরকারি স্কুলে পড়ত পৃথ্বিরাজ হালদার। অন্যান্য দিনের মত আজও সে পরীক্ষা দেওয়া জন্য সকাল ৮টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্কুলে গিয়েছিল। কিন্তু তার কিছুক্ষনের মধ্যেই সকাল ৮টা ৪৮ মিনিট নাগাদ স্কুল থেকে ফোন করা হয় পৃথ্বিরাজের বাড়িতে। জানান হয় নাবালকের অসুস্থতার কথা। এরপর পরিবারের তরফে তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করার কথা জানান হয় স্কুল কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু নাবালককে একটি অটোতে করে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ তোলে পরিবার। এমনকি তার প্রাথমিক চিকিৎসাতেও গাফিলতি হয়েছে বলে জানান নাবালকের বাবা।
অন্য়দিকে নাবালক অসুস্থ হওয়ার পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে পৃথ্বিরাজকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তবে কীভাবে ওই ছাত্রের মৃত্যু হল তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। পরিবার সূত্রে খবর, একেবারে ছোটবেলা থেকেই ওই বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করত পৃথ্বীরাজ। কিন্তু তারপরেও এমন 'অবহেলা', আশা করতে পারেনি পরিবার। পাশাপাশি স্কুলের এমন গাফিলতির অভিযোগ প্রকাশ্য়ে আসতেই তাজ্জব অন্যান্য অভিভাবকেরাও।