বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরাই শুধু ভিনরাজ্যে গিয়ে কাজ করেন, তা নয়। এর বাইরেও, ঝকঝকে তরুণ মুখের আইটি-কর্মীরা রয়েছেন। যাঁদের অনেকেই এখনও 'বাংলার ভোটার'। এর বাইরেও, বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদদের অনেকেই ভি...
বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরাই শুধু ভিনরাজ্যে গিয়ে কাজ করেন, তা নয়। এর বাইরেও, ঝকঝকে তরুণ মুখের আইটি-কর্মীরা রয়েছেন। যাঁদের অনেকেই এখনও 'বাংলার ভোটার'। এর বাইরেও, বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদদের অনেকেই ভিনরাজ্যে কর্মরত। মাঝেমধ্যে তাঁরা বাংলায় আসেন আবার ফিরেও যান। তাঁদের অনেকেও কিন্তু 'বাংলার ভোটার'। বাঙালি-অবাঙালি, হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে এমন অনেক 'বাংলার ভোটার' ভিনরাজ্যে রয়েছেন। এবং তাঁদের অনেকেই ভোটের সময়ে বঙ্গমুখী হন না। বলা ভালো, ভোট দিতে তেমন আগ্রহী থাকেন না। এমতাবস্থায়, তাঁদেরকে বঙ্গমুখী করতেই এক অভিনব পরিকল্পনা করেছে গেরুয়া শিবির: বঙ্গবিজেপি নেতৃত্ব একাধিক টিম তৈরি করে ভিনরাজ্যে যাবে। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত মন্দ নয়।
রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ইতিমধ্যেই পৌঁছেছেন গুজরাতের সুরাতে। সেখানে যাঁরা 'বাংলার ভোটার', তাঁদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাতের পালাও শুরু করেছেন তিনি। শমীক ছাড়াও বঙ্গবিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে চলেছেন।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবার বাংলার লড়াইয়ে বেশ কিছু অভিনব কৌশল নিয়েছে বিজেপি। যেমন, নির্বাচনী সংকল্প পত্র বা ইশতেহার বার করার আগে পাড়ায়-পাড়ায় প্রচার কর্মসূচি। এবং জনমত সমীক্ষা করা। নরেন্দ্র মোদী, নিতিন নবীন, শমীক ভট্টাচার্য ও শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ভ্রাম্যমাণ গাড়ি। ভোটাররা চাইলে তাঁদের সমস্যা, পরামর্শ জানাতে পারবেন। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা থেকে শুরু করে মহিলাদের নিরাপত্তা, চাকরি, শিল্প, সবকিছু নিয়ে কেউ তাঁর নিজস্ব মতামত দিতে পারবেন। এই মতামত, অভাব-অভিযোগ এবং বাঙালির চাওয়া-পাওয়ার কথা শুনে, তার ভিত্তিতেই বিধানসভায় সংকল্প পত্র বা ইশতেহার তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যেই, রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জেলাভিত্তিক চার্জশিট জমা দিতে শুরু করেছে বিজেপি।