অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর অন্যতম কর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি জৈন এবং ভাই পুলকিত জৈনকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সূত্রের খবর, বুধবার ১৫ এপ্রিল তাঁদের দিল্লির ইডির ...
অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর অন্যতম কর্তা প্রতীক জৈনের স্ত্রী বার্বি জৈন এবং ভাই পুলকিত জৈনকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সূত্রের খবর, বুধবার ১৫ এপ্রিল তাঁদের দিল্লির ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই কয়লাপাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় দিল্লিতে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হলেন আইপ্যাক-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চাণ্ডেল। প্রশান্ত কিশোর আইপ্যাক ছেড়ে যাওয়ার পর প্রতীক জৈন সংস্থার প্রথমজন এবং দ্বিতীয়জন হলেন ভিনেশ চাণ্ডেল। বাংলার শাসকদলের পরামর্শদাতা সংস্থার অন্যতম এক কর্তার গ্রেফতারিতে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এবার আরও বিপাকে প্রতীক জৈন।
বছরের গোড়ায় আইপ্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে অভিযান চালায় ইডি। অভিযান চলাকালীন প্রতীকের রডন স্ট্রিটের বাড়িতে নজিরবিহীন ভাবে ঢুকে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং, ফাইল হাতে করে বেরিয়ে এসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তোপ দাগেন। এরপর সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির সময়েও ঘটনাস্থলে ঢুকে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে আমলা-পুলিসদের ভূমিকা নিয়েও। ইডি অভিযানের সময়ে কলকাতার তৎকালীন পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা থেকে শুরু করে রাজ্যের তৎকালীন ডিজি রাজীব কুমার ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং রীতিমতো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। আমলাদের মধ্যে সদ্য মুখ্যসচিব হওয়া নন্দিনী চক্রবর্তীও সেখানে উপস্থিত হন। ঘটনার জল অনেকদূর অবধি গড়ায়। নজিরবিহীনভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নামে অভিযোগ জানিয়ে প্রথমে হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। পুরো ঘটনার সিবিআই তদন্তের আবেদন জানানো হয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে। সেই মামলা এখনও চলছে। চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।
রাজনৈতিক মহলে চর্চা, প্রতীকের গ্রেফতারিতে প্রবল প্রতিরোধ আসতে পারে বলেই কি ভিনেশকে গ্রেফতার করল ইডি? চারদিক ঘিরে চক্রব্যুহ তৈরি করে এবার কি প্রতীককে হেফাজতে নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?