সুপ্রিম কোর্টে এদিন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বাল অভিযোগ করেছেন, যে বিচারকরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁদের কানে গোপন মন্ত্র দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। যদিও, এদিন প্রধান বিচারপতির এজলাসে রাজ্যের আইনজী...
সুপ্রিম কোর্টে এদিন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বাল অভিযোগ করেছেন, যে বিচারকরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন, তাঁদের কানে গোপন মন্ত্র দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। যদিও, এদিন প্রধান বিচারপতির এজলাসে রাজ্যের আইনজীবী একেবারেই সুবিধা করে উঠতে পারেননি। বরং, ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। কমিশনের বিরুদ্ধে নালিশের পর নালিশ শুনে এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ দৃশ্যতই বিরক্ত হয়েছে। প্রশ্ন তুলেছে, বিচারকদের প্রশিক্ষণ কমিশন দেবে না তো আর কে দেবে? এমতাবস্থায়, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কপিল সিব্বাল। তাতেও তেমন আমল দেয়নি আদলত।
এই পরিস্থিতিতে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়, বিচারকদের কানে কি গোপন মন্ত্র দিচ্ছে কমিশন? সিইও-র উত্তর, "গোপন কী, কী বলা হচ্ছে, আমি তো জানি না। আমাকে তো কেউ জানায়নি। আমি তো রাজ্যের সিইও, নাকি"?
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, কমিশন বনাম রাজ্যের দ্বৈরথে, একেবারে শেষ রাউন্ডে কিন্তু জয়ের হাসি হাসল কমিশনই। এদিন সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের একটি অভিযোগেও কার্যত কর্ণপাত করেনি। বরং মন্তব্য করেছে, "এর তো কোথাও শেষ আছে, নাকি? আর কত ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আদালতে আসবেন আপনারা? বিচারকদের উপর ভরসা রাখুন"।
শনিবার চূড়ান্ত তালিকা
যাঁদের নাম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকছে: UNDER ADJUDICATION, সহজ কথায়, বিবেচনাধীন। এই সংখ্যা মোটের উপর, ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ ! এমতাবস্থায়, বিচারকেরা এই সব নাম-ধাম ও তথ্য-নথি খতিয়ে দেখে যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তার উপরই নির্ভর করবে, এই ৬০ লক্ষের মধ্যে কতজন যোগ্য ভোটার হয়ে ভোট দিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট জানান, "২৮ তারিখে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে। তারপর কোনও সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হবে না। শুনানির পরেও যে-নাম নিয়ে এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, সেই সব নামের পাশে লেখা থাকবে: UNDER ADJUDICATION, বিচারকেরা এই ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের মধ্যে যতজনকে যোগ্য ভোটার বলে বিবেচনা করবেন, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। এছাড়াও কিছু নাম বাদ পড়বে। সেইসব নামের পাশে লেখা থাকবে ডিলিটেড। ফর্ম-৭-এ যেসব নাম নিয়ে আপত্তি উঠেছে, তা নিয়েও নিষ্পত্তি হবে। ২৮ তারিখের মধ্যে যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁদের নামের পাশেই লেখা থাকবে ডিলিটেড। বাকি ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন"।