বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় তেতে রয়েছে চারপাশ। এক কিশোরীকে গণধর্ষণ, নৃশংস অত্যাচার ও তারপর জীবন্ত অবস্থায় বস্তায় পুরে পুকুরে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত নাগরিক সমাজ। এমতাবস্থায়, ‘আসল’ ...
বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় তেতে রয়েছে চারপাশ। এক কিশোরীকে গণধর্ষণ, নৃশংস অত্যাচার ও তারপর জীবন্ত অবস্থায় বস্তায় পুরে পুকুরে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত নাগরিক সমাজ। এমতাবস্থায়, ‘আসল’ ও ‘নকল’ তৃণমূলের মধ্যে ‘প্রতিবাদী’-লড়াই বড় চোখে লাগছে।
বারুইপুরের ঘটনা সামনে আসার পর রবিবার কালীঘাট-তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাতে ঘটনাস্থলে যেতে না-পারেন, তা সুনিশ্চিত করতেই পুলিসে-পুলিসে ছয়লাপ হয়ে গিয়েছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। এমতাবস্থায়, সোমবার দিনেদুপুরে দলের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সবুজ-মোমবাতি নিয়ে হাজরায় বিক্ষোভ দেখান নেত্রী। দলের তরফে বিধায়ক ও সাংসদরা বারুইপুর যান।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে আসার আগেই আসরে নেমে পড়ল ঋতব্রত-তৃণমূল। এবং, লোকসভার বিদ্রোহী-২০-র দল। ‘আগে কেবা প্রাণ করিবেক দান’।
এদিন রাজনৈতিক মহলের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল কাকলি ঘোষদস্তিদারের মন্তব্য, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী পাঠিয়েছেন’’।
প্রশ্ন উঠছে, কাকলি-সহ ২০ জন সাংসদ শিবির বদল করলেও বিজেপিতে যোগ দেননি, তাহলে বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর কথায় তাঁরা বারুইপুরে এলেন কী করে?
এদিন বারুইপুর থেকে সংবাদমাধ্যমের সামনে কাকলি বলেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা। মনে হচ্ছে যেন আমার মেয়ের সঙ্গেই এই ঘটনা ঘটেছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দাবি করছি। নির্যাতিতার পরিবারের পাশে রয়েছি আমরা”।
এমতাবস্থায়, পুলিসের সঙ্গে তর্কাতর্কির সময়ে কাকলিকে বলতে শোনা যায়, “মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পাঠিয়েছেন”।