শুক্রবারের মত শনিবারও কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস। ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় ঝড় ব...
শুক্রবারের মত শনিবারও কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস। ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় ঝড় বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। শিলাবৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং হুগলির কোনও কোনও জায়গায়।
গতকাল রাতে ঝড়বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা এবং শহরতলিতে। ঝড়ের তাণ্ডবে একাধিক রাস্তায় গাছ উপড়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল বেশ কিছু এলাকা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় রাত ১২টার পর লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যেই প্রবল দুর্যোগের কারণে বিমানবন্দরে নামতে নামতে দেরি হয় বেশ কিছু বিমানের। যার মধ্যে ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমানও। প্রায় ৫৫ মিনিট ধরে মাঝ আকাশে চক্কর কাটার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবতরণ করে বিমানটি।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তার উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। এ ছাড়া, উত্তর-পশ্চিম বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। তা ঘূর্ণাবর্তের উপর দিয়ে গিয়েছে। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে স্থলভাগে। তাই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সমুদ্র উত্তাল থাকবে। তাই উত্তর ওড়িশা এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে মৎস্যজীবীদের সুমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের চলবে দুর্যোগ। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা ঝড়বৃষ্টি চলবে উত্তরের জেলাগুলোয়। এর মধ্যে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বর্ষণের সম্ভবনা। বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার।