হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে জ্বলছে পিলখানা। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় বিক্ষোভ স্থানীয়দের। বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়ে...
হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে জ্বলছে পিলখানা। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় বিক্ষোভ স্থানীয়দের। বাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিস বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টাও চলছে। এদিকে এখনও পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে বেপাত্তা দুই অভিযুক্ত। তাদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ জারি থাকবে বলে হুঁশিয়ারি স্থানীয়দের।
পরিবার সূত্রে জানা যায় মৃত শফিক এলাকায় প্রোমোটারি করতেন। প্রোমোটিং সংক্রান্ত কোনও বিবাদের জেরেই এলাকার দুই দুষ্কৃতী হারুন খান ও রোহিতের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি হয় শফিকের। এরপর বুধবার কাকভোরে তাঁকে গুলি করে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। ইতিমধ্যেই সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে শফিককে প্রথম গুলি করার পর সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এবং তারপরেও তাঁর মাথা লক্ষ্য করে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।
এদিন ভোরে এই ঘটনার পর থেকেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন পিলখানা এলাকার বাসিন্দারা। পরে ময়নাতদন্তের পর শফিকের দেহ বাড়িতে এলে, সেই দেহ রেখে শুরু হয় বিক্ষোভ। ভাঙচুর চালান হয় অভিযুক্ত রোহিত ও হারুনের বাড়িতেও। পুলিস বাধা দিতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বলেও খবর। পরে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিস বাহিনী ও র্যাফ।
অন্যদিকে এদিন সকালে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মোহাম্মদ রুস্তম খান। তিনিও অভিযুক্ত হারুনকে 'সমাজবিরোধী' বলে মন্তব্য করেন। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, দুষ্কৃতীমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে এলাকায় পুলিসি সক্রিয়তা আরও বাড়ানো উচিত বলেও দাবি জানিয়েছেন তিনি। যদিও এলাকার বিজেপি নেতা উমেশ রাই অভিযোগ করে জানান, যে দুই দুষ্কৃতী শফিককে খুন করেছে সেই হারুন ও রোহিতের সঙ্গে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। ফলে ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেড়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও।