চোর সন্দেহে গণপিটুনি! মৃত্যু মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের। রাতের অন্ধকারে অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল পশ্চিম মেদিনীপুর। কেশিয়াড়ি ব্লকের গিলাগেড়িয়া এলাকার বাসিন্দা বছর ৩৩-র সৌম্যদীপ চন্দ। জানা গিয়...
চোর সন্দেহে গণপিটুনি! মৃত্যু মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের। রাতের অন্ধকারে অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল পশ্চিম মেদিনীপুর। কেশিয়াড়ি ব্লকের গিলাগেড়িয়া এলাকার বাসিন্দা বছর ৩৩-র সৌম্যদীপ চন্দ।
জানা গিয়েছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি নাইট ডিউটির কারণে খড়গপুরের উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন। খড়্গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত বড়া, খাগড়া সহ ৩ জায়গায় গ্রামবাসীরা সন্দেহের বশে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। আনারকলি এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদ না করেই সৌম্যদীপকে চোর সন্দেহে বেধড়ক মারধর স্থানীয়দের। নিজের পরিচয় দিতে চাইলেও তা শোনা হয়নি বলে অভিযোগ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস ও তাঁর পরিবার। রক্তাক্ত অবস্থায় সৌম্যদীপকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভুবনেশ্বরের হাইটেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, মারধরের কারণে স্পাইনাল কর্ড ভেঙে যায় তাঁর। প্রায় ১০ দিন ICU-তে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পর শুক্রবার রাতে মৃত্যু হয় সৌম্যদীপের। শনিবার তার নিথর দেহ পৌঁছয় বাড়িতে। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানায় পরিবার। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
ফের গণপিটুনিতে মৃত্যু। বারবার পুলিস প্রশাসনের তরফে সচেতন করা হলেও কেন সচেতন হচ্ছে না সাধারণ মানুষ? কেন বারবার আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া হচ্ছে? আর কত সৌম্যদীপের প্রাণ গেলে বন্ধ হবে এই 'মব কালচার'?