বৃহস্পতিবার দুপুরে কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল থেকে উদ্ধার হয় এক মেডিকেল পড়ুয়ার পচাগলা দেহ। গতকাল তাঁর ঘর থেকে কটু গন্ধ পেতেই সন্দেহ হয়েছিল অন্যান্য পড়ুয়াদের। এরপর পুলিসে খ...
বৃহস্পতিবার দুপুরে কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল থেকে উদ্ধার হয় এক মেডিকেল পড়ুয়ার পচাগলা দেহ। গতকাল তাঁর ঘর থেকে কটু গন্ধ পেতেই সন্দেহ হয়েছিল অন্যান্য পড়ুয়াদের। এরপর পুলিসে খবর দিলে যুবকের ঘরের দরজা ভেঙে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে মৃত যুবকের নাম পুলক হালদার। ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। তবে কীভাবে মৃত্যু হল ওই যুবকের তা এখনও জানা যায়নি। খুন নাকি আত্মহত্যা! ক্রমেই জোরালো হচ্ছে সেই প্রশ্ন।
গতকাল যুবকের দেহ উদ্ধারের পর সেটি নিয়ে যাওয়া হয় কল্যাণী এইমস হাসপাতালে। শুক্রবার সেখানেই তাঁর ময়নাতদন্ত করা হয়। এদিন পুলকের বাবা এসে তাঁর দেহ শনাক্ত করেন। বলেন, দেহটি ফুলে গিয়েছিল তাঁর ছেলের। এমনকি পচন ধরতেও শুরু করেছিল। তিনি আরও জানান, শেষ গত ২০ তারিখ ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছিল পরিবারের। স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলেছিলেন তিনি। বাড়ির সবার সঙ্গে পুলকের সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তারপরেও কীভাবে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল তা বুঝে উঠতে পারছেন না মৃত পড়ুয়ার বাবা।
একইভাবে পুলকের মা জানান, শেষ ২০ তারিখ ছেলের সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাঁর কথা হয়েছিল। সেই সময় স্বাভাবিক ভাবেই অনেক গল্প করেছিলেন পুলক। বাড়িতে কী রান্না হয়েছে তাও জিজ্ঞেস করেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আর যোগাযোগ করা যায়নি তাঁর সঙ্গে। এমতাবস্থায় যুবকের মৃত্যুতে হোস্টেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, এতদিন দরজা বন্ধ থাকার পরেও কেন কেউ খোঁজ নেননি পুলকের। কেন আগে থাকতে জানান হয় পরিবারকে। এই অবস্থায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিস। যুবকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।