নাবালকের দোষ ,সে সাইকেল চলাতে চালাতে এক তৃণমূলে কর্মীর পেড়ে রাখা সজনে ডাঁটা মারিয়ে ফেলেছে। ব্যাস আর যায় কোথায় , নাবালকের উপর চড়াও হয় ওই তৃণমূল কর্মী। বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ ওই নাবালকের। ঘটনার স...
নাবালকের দোষ ,সে সাইকেল চলাতে চালাতে এক তৃণমূলে কর্মীর পেড়ে রাখা সজনে ডাঁটা মারিয়ে ফেলেছে। ব্যাস আর যায় কোথায় , নাবালকের উপর চড়াও হয় ওই তৃণমূল কর্মী। বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ ওই নাবালকের।
ঘটনার সূত্রপাত , মঙ্গলবার সকালে বাঁকুড়া ২নম্বর ব্লকের বদড়া গ্রামে। গাছ থেকে সজনে ডাটা পাড়ছিলেন তৃণমূল কর্মী শুভ্র কান্তি রায়। ঠিক সেই সময় টিউশন থেকে ফেরার পথে ওই নাবালকের সাইকেলের চাকার তলায় একটি সজনে ডাটা পিষে যায়। তারপরই ১২ বছরের ওই নাবালককে নির্বিচারে মারধর করে তৃণমূল কর্মী শুভ্র কান্তি রায়।
মাথায় ঘাড়ে একাধিক জায়গায় গুরুতর আঘাত নিয়ে বাড়ি ফিরে পরিবারের লোকেদের সব জানায় ওই নাবালক। চরম মারধরের জেরে চরম অস্বস্তি বোধ করায় তাকে বাঁকুড়া পুরসভার বহির্বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় । নাবালকের মায়ের অভিযোগ বিনা কারণে তার সন্তানকে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রহার করেছে ওই তৃণমূল কর্মী। বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যাওয়া হলে অভিযোগের কোন রিসিভ কপি না দিয়েই পরিবারকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়,পুলিসের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।
তবে প্রশ্ন উঠছে এলাকায় শাসক দলের সক্রিয় কর্মী হলেই কি সাতখুন মাফ? যেমন খুশি দাদাগিরি করা যায় ? কোনও নাবালকের গায়ে হাত তোলাটাও বাহাদুরি? কেবলমাত্র শাসকদলের কর্মী বলে পুলিস ও আইন মোতাবেক কাজ না করে মৌখিক সমাধানের পথ বেছে নেবে?
আর এগুলো হয় বলেই হয়তো তৃণমূল ওই কর্মী শুভ্রকান্তি রায় অকপটে স্বীকার করে নেন তিনি ওই নাবালককে মেরেছেন। দল অবশ্য় বিষয়টিকে নিন্দনীয় বলেছেন। পুরো বিষয়টি খবর নিয়ে দেখার কথা বলেছেন।
বিজেপির দাবি তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মী সকলেই অমানবিক। পুলিস প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিজেপি ওই তৃণমূল কর্মীর উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছেন।