"নন্দীগ্রামের বিডিও চলে আসছেন ভবানীপুরে, গদ্দারের নিজের লোক বলে", প্রকাশ্যেই তোপ দেগেছিলেন ওই কেন্দ্রের প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমতাবস্থায়, তৃণমূলের লিখিত অভিয...
"নন্দীগ্রামের বিডিও চলে আসছেন ভবানীপুরে, গদ্দারের নিজের লোক বলে", প্রকাশ্যেই তোপ দেগেছিলেন ওই কেন্দ্রের প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমতাবস্থায়, তৃণমূলের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লির নির্বাচন সদন রাজ্যের মুখ্য সচিবের কাছ থেকে বিকল্প তিনটি নাম চেয়ে পাঠায়। সেই নাম পাঠানোও হয়। এবং, ধরে নেওয়া হয়, ভবানীপুরের ওই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিচ্ছে কমিশন।
এরপর দিনসাতেক কেটে গেলেও দেখা যায়, ওই রিটার্নিং অফিসারকে সরানো হয়নি। এদিন, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে চায় তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। তারপর সাংবাদিক বৈঠক করে শশী পাঁজা দাবি করেন, "সুরজিৎ রায় নামে ওই রিটার্নিং অফিসারকে এখনও সরানো হয়নি। আমরা বললাম, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। আমাদের পাল্টা প্রশ্ন করা হল, ঘনিষ্ঠ বলতে কীরকম ঘনিষ্ঠ, কোনও ছবি বা ভিডিয়ো আছে। আমরা দেখছি, শুভেন্দু অধিকারীর বিষয়ে কমিশন একটা নরম মনোভাব নিয়ে চলছে"।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ওই বিডিও শুভেন্দু অধিকারীর কতটা ঘনিষ্ঠ তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, ভবানীপুর নিয়ে এক-ছটাকও ঝুঁকি নিতে চাইছে না তৃণমূল। তাই, বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে তৃণমূল দুর্গকে অভ্যেদ্য রাখতে সবরকম ভাবেই চেষ্টা করা হচ্ছে। ভবানীপুরের শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন কোনও প্ররোচনা ছাড়াই তৃণমূল গোল বাধিয়েছে বলে কমিশন মনে করছে। এমতাবস্থায়, কলকাতার পুলিস কমিশনার অজয় নন্দা বেশ কয়েকজন ডিসিকে শোকজ করেছেন। প্রশ্নের মুখে রয়েছে সিপি-র ভূমিকাও।
এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গ ভবানীপুরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। খোদ অমিত শাহও ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করে ভবানীপুরের ভোটারদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান করেছেন।