হাওড়া থেকে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা, বহুকালের ধর্মতলা থেকে হাল আমলের সেক্টর ফাইভ, কালীঘাটের কালী দর্শন থেকে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ভবতারিণী দর্শন, বিমানবন্দর হয়ে বারাসত পর্যন্ত বিস্তীর্ণ যাত্রাপথ নিয়ে মেট্র...
হাওড়া থেকে গঙ্গা পেরিয়ে কলকাতা, বহুকালের ধর্মতলা থেকে হাল আমলের সেক্টর ফাইভ, কালীঘাটের কালী দর্শন থেকে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ভবতারিণী দর্শন, বিমানবন্দর হয়ে বারাসত পর্যন্ত বিস্তীর্ণ যাত্রাপথ নিয়ে মেট্রো রেল ক্রমাগত বিস্তৃত হয়ে চলেছে। দেশের মধ্যে প্রথম পাতাল রেল চলতে শুরু করে কলকাতা থেকেই। ১৯৮৪ সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এই মেট্রো রেল চালু করেন আনুষ্ঠানিকভাবে। তাঁর পাশে তখন দেখা যায় রেলমন্ত্রী গনিখান চৌধুরীকে।
কলকাতা, বাংলা ও বাঙালির স্মৃতি-বিস্মৃতির পথ ধরে বেঁচে-থাকা এই মেট্রো রেল এবার আরও একধাপ এগিয়ে গেল। গঙ্গার বুক চিরে কলকাতার সঙ্গে হাওড়াকে যুক্ত করার ঐতিহাসিক মুহূর্ত উপহার দেওয়ার এবার নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যবস্থা তৈরি করল মেট্রোরেল। কোনও কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটলে নিজস্ব মাইক্রো গ্রিড দিয়ে তার মোকাবিলা করা হবে এবার থেকে। আপাতত ব্লু-লাইনে দমদম থেকে মহানায়ক উত্তমকুমার (টালিগঞ্জ) স্টেশন অবধি এই ব্যাটারি-চালিত নিজস্ব গ্রিড কাজ করবে। পরে, ধাপে-ধাপে এই বাড়তে থাকবে এই গ্রিড।
এই গ্রিড একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মোকাবিলা করবে, অন্যদিকে তেমন খরচও বাঁচাবে। গরমকালে, পিক-আওয়ারে যখন বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি হবে, তখন তার পুরোটা সিইএসসি-র কাছ থেকে আর কিনতে হবে না। এই গ্রিড-ও তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। এবং এর ফলে খরচ কমবে।
সারারাত চার্জের পর সকালের পিক আওয়ারে এই ব্যাটারির মাধ্যমে মেট্রোরেল চলবে বলে দাবি করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শীতকালে খানিকটা বিরাম নেওয়ার ফলে গরমকালে এই ব্যাটারি আরো অনেক বেশি সচল থাকবে।