সোমবার ভোর থেকেই আরামবাগ বিডিও অফিস চত্বরে ভিড় জমিয়েছিলেন এলাকার সাধারণ মানুষ। যুব সাথী, কৃষক বন্ধু-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের ফর্ম নিতে কার্যত হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল উপভোক্তাদের মধ্যে। পরে সেই ফর্ম বিল...
সোমবার ভোর থেকেই আরামবাগ বিডিও অফিস চত্বরে ভিড় জমিয়েছিলেন এলাকার সাধারণ মানুষ। যুব সাথী, কৃষক বন্ধু-সহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের ফর্ম নিতে কার্যত হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল উপভোক্তাদের মধ্যে। পরে সেই ফর্ম বিলিকে কেন্দ্র করেই রীতিমত উত্তেজনা শুরু হয় এলাকায়। এমনকি পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরোতে শুরু করলে ঘটস্থলে পুলিস মোতায়েন করা হয় বল খবর।
এদিন সকাল থেকে একরকম ভাবে ফর্ম বিলির কাজ চলছিল। কিন্তু বেলা বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে বিডিও অফিস চত্বরে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সরকারি দফতরে। এর মধ্যেই সকাল দশটা নাগাদ ধাপে ধাপে শাটার নামিয়ে সীমিত সংখ্যক মানুষকে বিডিও অফিসের ভিতরে ডেকে ফর্ম বিলি করা হলে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। রীতিমত ঠেলাঠেলি শুরু হয় স্থানীয়দের মধ্যে।
পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে খবর দেওয়া হয় আরামবাগ থানার পুলিসে। তাঁরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। মাইক হাতে নিয়ে আরামবাগ উপস্থিত সকলকে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানান আরামবাগ থানার আইসি। তাঁর ঘোষণার পরেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হয়। যদিও একাধিক আবেদনকারীর অভিযোগ, পর্যাপ্ত কাউন্টার ও আগাম ব্যবস্থাপনার অভাবে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে যেন সাধারণ মানুষকে এভাবে ভোগান্তির শিকার না হতে হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের বিকল্প পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।