হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে এখনও অধরা দুই অভিযুক্ত। সেই দু'জনের গ্রেফতারির দাবিতে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত পিলখানা এলাকা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযুক্ত হারুন এবং রোহিতকে গ্রেফতার না করা পর...
হাওড়ায় প্রোমোটার খুনে এখনও অধরা দুই অভিযুক্ত। সেই দু'জনের গ্রেফতারির দাবিতে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত পিলখানা এলাকা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযুক্ত হারুন এবং রোহিতকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এমতাবস্থায় অভিযুক্ত হারুন আফগানিস্তানের বাসিন্দা বলে খবর সূত্রের। প্রায় ২৫ বছর আগে বাবার সঙ্গে দেশ বদল করেছিল সে। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই জটিল হয়েছে পরিস্থিতি।
জানা যাচ্ছে, প্রায় ২৫ বছর আগে বাবার সঙ্গে আফগানিস্থান ছেড়ে ভারতে এসেছিল হারুন। স্থানীয়দের দাবি, ভারতে এসে নকল পরিচয়পত্র বানিয়েছিল তাঁরা। হারুন সুদের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। পাশাপাশি এলাকায় দুষ্কৃতীমূলক কাজের সঙ্গেও তাঁর পরিচয় আছে বলে খবর। এই ঘটনার আগেও একাধিক অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে হারুনের বিরুদ্ধে। এমতাবস্থায় অভিযুক্তের মাধ্যমে হাওলা টাকা পাচার হতো বলেও কানাঘুষো শোনা গিয়েছে স্থানীয় সূত্রে। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, এত অপরাধের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে তৎপর হয়নি পুলিস? কেন প্রশাসনের ভয় ছাড়াই এলাকায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব চালাতে পারছিল হারুন ও রোহিত?
অন্যদিকে এলাকার উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা উমেশ রাই'য়ের অভিযোগ, যে দুই দুষ্কৃতী শফিককে খুন করেছে সেই হারুন ও রোহিতকে তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর সঙ্গে দেখা গিয়েছে। তাঁরা দুজন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর কথায়, 'বিজেপি যে ভিডিওটি ছড়িয়ে দিচ্ছে, সেটি ২০২২ সালের। এই ঘটনায় কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই। সেই যুক্তিতে দেখলে তো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও নীরব মোদী, প্রজ্বল রেভান্না-সহ আরও অনেকের ছবি রয়েছে। আমি জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন জায়গায় আমাকে জনগণের কাছে যেতে হয় ফলে আমার সঙ্গে অনেকেই ছবি তোলে। আমি কী করে বুঝব যারা ছবি তুলছে তাদের মধ্যে দুষ্কৃতী রয়েছে।'