সমীর আলি শাহ, জন্ম: ০১.০১.১৯৮৮আমির আলি শাহ, জন্ম: ২৭.০৫.১৯৮৮দুই ভাইয়ের মধ্যে জন্মের ব্যবধান মেরেকেটে ৫ মাস। এ-ও কি সম্ভব!লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি? তথ্যগত অসংগতি? নিঃসন্দেহে তাই। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে...
সমীর আলি শাহ, জন্ম: ০১.০১.১৯৮৮
আমির আলি শাহ, জন্ম: ২৭.০৫.১৯৮৮
দুই ভাইয়ের মধ্যে জন্মের ব্যবধান মেরেকেটে ৫ মাস। এ-ও কি সম্ভব!
লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি? তথ্যগত অসংগতি? নিঃসন্দেহে তাই। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কী করে এই নথি আপলোড করলেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিকরা?
দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভার পার্ট নম্বর ৮৮, বিজড়া গ্রামের বাসিন্দা আইনুল শা ও তাঁর দুই ছেলে সমীর আলি শা এবং আমির আলি শাকে ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, দুই ছেলের বয়সের ব্যবধান মেরেরেটে ৫ মাস! এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
প্রশ্ন উঠছে — এত বড় অসংগতি যেখানে, সেখানে কীভাবে নথি আপলোড করা হল? প্রাথমিক পর্যায়ে কোনওরকম ঝাড়াই-বাছাই ছাড়াই কি এনুমারেশন ফর্ম আপলোড করা হয়েছে তাহলে? ভুলে ভরা এই তথ্য কীভাবে ERO ও AERO-দের নজর এড়িয়ে গেল? এটি কি নিছক মানবিক ভুল, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য ঘোলাটে করার চেষ্টা?
আইনুল শা জানিয়েছেন, তাঁর মোট ১৪ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছে। সকলেই নিয়ম মেনে ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছেন। সে সময় কোনও আপত্তি করা হয়নি। এখন হঠাৎ করে এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক কেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তাঁর কথায়, “আমরা অশিক্ষিত মানুষ, এত কিছু জানি না।”
অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, বিষয়টি জেনেশুনেই করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, দিন যত এগোবে ততই বেশি করে এই ধরনের অসংগতি সামনে আসবে।
দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাসকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, "এই ধরনের কোনও ঘটনার কথা আমার জানা নেই। তবে, কোনও ভুল হলে কমিশনের ফর্ম -৮ রয়েছে, সংশোধন করে নেওয়া যাবে"।
এখানেই শেষ নয়। এই ভুল শুধু বিএলও এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিকরা করেননি। দুই ভাইয়ের ভোটার-আধার কার্ডেও ওই একই জন্মতারিখ লেখা রয়েছে!
তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত?