হিয়ারিংয়ে অংশ নিতে পিঠে চড়ে যেতে হল এক বিশেষভাবে সক্ষম মহিলাকে। অন্যদিকে, ট্রাই সাইকেলে রেল লাইন টপকে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বিডিও অফিসে পৌঁছলেন আরেক বিশেষভাবে সক...
হিয়ারিংয়ে অংশ নিতে পিঠে চড়ে যেতে হল এক বিশেষভাবে সক্ষম মহিলাকে। অন্যদিকে, ট্রাই সাইকেলে রেল লাইন টপকে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বিডিও অফিসে পৌঁছলেন আরেক বিশেষভাবে সক্ষম যুবক। ইসলামপুর বিডিও অফিস চত্বরে এমনই একের পর এক কষ্টের ছবি সামনে এল।
গুঞ্জেরিয়া এলাকার বাসিন্দা গৌরিমন নামে এক প্রতিবন্ধী মহিলা টোটো রিজার্ভ করে ইসলামপুর বিডিও অফিসে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে হিয়ারিং সেন্টার পর্যন্ত যেতে না পেরে তাঁকে পিঠে করে নিয়ে যেতে হয় তাঁর দিদিকে। শারীরিক অক্ষমতা সত্ত্বেও এভাবেই শুনানিতে অংশ নিতে বাধ্য হন তিনি।
একই ছবি ধরা পড়ে ইসলামপুর পুরসভার শান্তিনগর এলাকাতেও। ওই এলাকার বাসিন্দা সুব্রত বিশ্বাস কয়েক বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দুটি পা হারান। বর্তমানে ট্রাই সাইকেলই তাঁর একমাত্র ভরসা। অভিযোগ, হিয়ারিংয়ে যোগ দিতে মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে রেল লাইন টপকে প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়েছে। সুব্রত বিশ্বাসের বক্তব্য, “যদি বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং হতো, তাহলে আমাকে এই কষ্ট পেতে হতো না।”
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। জানা গিয়েছে, বুধবার ইসলামপুর ব্লকে SIR-এর দ্বিতীয় দিনের হিয়ারিং অনুষ্ঠিত হয়। এদিন মোট ৩৬৮ জন ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। সকাল থেকেই বিডিও অফিস চত্বরে হিয়ারিংয়ে আসা ভোটারদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।