সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এবং, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তৎপর হল স্বাস্থ্যভবন।জুলাই মাসের ৫ তারিখ মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে হার্টের সমস্য...
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এবং, অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তৎপর হল স্বাস্থ্যভবন।
জুলাই মাসের ৫ তারিখ মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে হার্টের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন ৫৭ বছরের মানসী দে। রোগীর চিকিৎসা চলতে থাকে। রোগীর শারীরিক অবস্থাও স্থিতিশীল হয়। কিন্তু সমস্যা দেখা যায় বুধবার। রোগীকে স্যালাইন দেওয়ার পর তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ছেলে বিশ্বজিৎ দে-র নজরে পড়ে, ওই স্যালাইনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি দ্রুত কর্তব্যরত নার্সদের গোচরে আনেন বিশ্বজিৎ। তাঁরা এসে খতিয়ে দেখেন সবকিছু। এমতাবস্থায়, দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রোগীকে ক্রিটিক্য়াল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তরিত করা হয়। বিশ্বজিৎ লিখিত অভিযোগ জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
হাসপাতাল সুপার ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য দাবি করেন, রোগীর অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন রোগীর শরীর থেকে যতটা সম্ভব ততটা বার করে নেওয়া হয় বলে তাঁর দাবি। যদিও প্রশ্ন ওঠে, মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন কে বা কারা ব্যবহার করলেন।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল জমানায় মেয়াদ উত্তীর্ণ স্য়ালাইন ব্যবহারের অভিযোগ উঠত ঘনঘন। এমতাবস্থায়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যভবন দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।