শুক্রবার মুর্শিদাবাদ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে প্রথমে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন তিনি। তারপর সেখান থেকে রেজিনগরের তাকিপুর হাই মাদ্রাসা স্কুল মাঠে জনসভা করেন। সেখান থেকেই একাধিক...
শুক্রবার মুর্শিদাবাদ সফরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে প্রথমে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন তিনি। তারপর সেখান থেকে রেজিনগরের তাকিপুর হাই মাদ্রাসা স্কুল মাঠে জনসভা করেন। সেখান থেকেই একাধিক ইস্যু তুলে কড়া মনোভাব প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম-না করে বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকেও 'সতর্ক' করেন তিনি। সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেন আইনের শাসনই এখন শেষ কথা রাজ্যে।
এদিন সভায় যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী, 'এখানে কিছু ভাষণবাজি হয়েছে। কিন্তু কোনও বড় ঘটনা হয়নি। কোথাও পুলিস খারাপ কাজ করলে কিংবা প্রশাসন খারাপ কাজ করলে আমাকে জানান। আমি ব্যবস্থা নেব।' এরপরেই আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুনকে বিঁধে তিনি বলেন, 'থানার সামনে গিয়ে কেউ বলবে, এই করব, ওই করব, কেউ বলবে, জেলে ৪৭০০ লোকের জায়গা হয়, আমি তার থেকে বেশি লোক নিয়ে যাব, দয়া করে এই সব ভাষণবাজি আর করবেন না।'
এখানেই শেষ না। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডারের বহু ভুয়ো প্রাপক ধরা পড়েছে। পাশাপাশি, অন্তত ৩৪টি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এই প্রসঙ্গে আজ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'তদন্ত চলছে। যদি বিডিও এই কাজ করে থাকেন, বিডিও-কে জেলে যেতে হবে। বিএমওএইচ করলে তাঁর চাকরি যাবে। আমরা আরজি কর কেসে তিন জন সিনিয়র আইপিএস-কে যদি সাসপেন্ড করতে পারি, তার উপরে তো কেউ নয়! তাই ভরসা রাখতে পারেন।'