সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই জেলায় জেলায় বোমাতঙ্ক। ইতিমধ্যে, বাঁকুড়া, শ্রীরামপুর, হাওড়া, কাটোয়া, বনগাঁ সহ একাধিক এলাকার পোস্ট অফিসে পৌঁছে যায় হুমকি মেল। বোমা রাখা রয়েছে এমন উড়ো ইমেল এসে পৌঁছত...
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই জেলায় জেলায় বোমাতঙ্ক। ইতিমধ্যে, বাঁকুড়া, শ্রীরামপুর, হাওড়া, কাটোয়া, বনগাঁ সহ একাধিক এলাকার পোস্ট অফিসে পৌঁছে যায় হুমকি মেল। বোমা রাখা রয়েছে এমন উড়ো ইমেল এসে পৌঁছতেই রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার, প্রায় দেড় ঘন্টা বন্ধ থাকার পরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে বাঁকুড়া পোস্ট অফিস। তারপরেই খালি করে দেওয়া হয়েছে পোস্ট অফিস। এদিন পোস্ট অফিসে আসা মানুষজন সহ পোস্ট অফিসের কর্মীদের বের করে দেওয়া হলো পোস্ট অফিস থেকে। বন্ধ করে দেয়া হয় পোস্ট অফিসের মেন শাটার। তারপর টানা অফিস বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার ফের হুমকি ইমেল খড়গপুর পোস্ট অফিসে। এর জেরে খালি করে দেওয়া খড়গপুর আই আইটির পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র ও পোস্ট অফিস। ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট অফিসে পৌঁছেছে হিজলি ফাঁড়ির পুলিস। পাসপোর্ট অফিসের ভিতরে থাকা সমস্ত কর্মীদের অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে কাটোয়া হেড পোস্ট অফিসেও পৌঁছয় বোমা-হুমকি ইমেল। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় কাটোয়া হেড পোস্ট অফিসে। ডাক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ একটি ইমেল আসে। যেখানে উল্লেখ করা হয় যে দুপুর ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ইমেলে বিশেষভাবে পাসপোর্ট পরিষেবা বিভাগের কথা উল্লেখ করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে পোস্ট অফিসের সমস্ত পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পরই পুলিসকে খবর দেওয়া হয়। এর জেরে কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ এবং আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
পর পর দুদিন বসিরহাট হেড পোস্ট অফিসে বোমাতঙ্ক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বম্ব স্কোয়াড। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমা প্রধান ডাকঘরে বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়ায়। পর পর দুদিন একই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।কাকদ্বীপ পোস্ট অফিসেও আবার বোমা হুমকির ইমেল এসেছে। শুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ এই হুমকি মেল আসে, যাতে বলা হয়েছে পোস্ট অফিস বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হবে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে পোস্ট অফিসের কর্মীরা গেট বন্ধ করে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এই ঘটনার জেরে পোস্ট অফিস বন্ধ থাকায় গ্রাহক এবং বিভিন্ন কাজে আসা মানুষজন চরম সমস্যায় পড়েছেন।