১৫ বছরের তৃণমূল জমানা রাজ্যে বিনিয়োগের খরা ডেকে এনেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিজেপির সঙ্কল্প ছিল বাংলায় শিল্প হবে, বিনিয়োগ আসবে ও কর্মসংস্থান হবে। রাজ্যে পালাবদলের পর পরিস্থিতি ...
১৫ বছরের তৃণমূল জমানা রাজ্যে বিনিয়োগের খরা ডেকে এনেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিজেপির সঙ্কল্প ছিল বাংলায় শিল্প হবে, বিনিয়োগ আসবে ও কর্মসংস্থান হবে। রাজ্যে পালাবদলের পর পরিস্থিতি বদলেছে। পশ্চিমবঙ্গে বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ না থাকায় অনেক সংস্থাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছিল। তৃণমূল আমলে বিজনেস সামিটের নামে চলেছে ভাওতাবাজি। শিল্প না থাকায় কর্মসংস্থানেরও বিশেষ অভাব ছিল বাংলায়। রাজ্যের শিল্পের মরা গাঙে জোয়ার আনতে বদ্ধপরিকর বিজেপি সরকার।
হাওড়ার সাঁকরাইল ফুড পার্কে আমুল প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে একটি বিশাল মেগা ডেয়ারি প্ল্যান্ট বা 'বেঙ্গল ডেয়ারি প্রজেক্ট' স্থাপন করছে। এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র হতে চলেছে। যার শিলান্যাস করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভার্চুয়ালি আজ, রবিবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রকল্পটি ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় বেকার যুবক-যুবতীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। কারখানা চালু হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কলকাতা থেকে মাত্র ২৫-৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন সাঁকরাইল ফুড পার্কে এই কারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই কারখানা থেকে ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম দই, লস্যি, ঘোল উৎপাদন হবে বলে। নতুন কর্মসংস্থানের দিক থেকে আশাবাদী সাধারণ মানুষ। দুধ উৎপাদনে দেশে সর্বোচ্চ স্থানে আমূল। ১৯৪৬ সালে আনন্দ মিল্ক ইউনিয়ন লিমিটেড (AMUL)। কোম্পানির হাত ধরে দেশের বড় অংশের গোয়ালারা উপকৃত হচ্ছে। নতুন প্রজেক্টের মাধ্যমে হাওড়া জেলায় বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলেই আশাবাদী।
এই সুদিনের অপেক্ষায় দিন গুনেছেন বাংলার মানুষ। শিল্পের অভাবে যে বাংলা ধুঁকছিল সেই বাংলা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। নতুন করে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখছেন বাংলার আপামর জনগণ।