Calcutta Television Network

একদিনের ম্যাচে রানের ব্যবধানে সর্ববৃহৎ জয়: ইংল্যান্ড ৩৪২ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে

সাউদাম্পটনের রোজ বোল স্টেডিয়ামে রবিবার অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ একদিনের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা পেল এক বিধ্বংসী পরাজয়—৩৪২ রানে। সিরিজ ইতিমধ্যেই ২-০ ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে থাকায় এই ম্যাচ ছিল ‘ডেড রাবার’। তবে ইংল্যান্ডের এই জয় দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড—ODI ইতিহাসে রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় পরাজয়।

প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ হারিয়ে বসা ইংল্যান্ডের হারানোর কিছুই ছিল না। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা চাইছিল ৩-০ ব্যবধানে হোস্টদের হোয়াইটওয়াশ করতে। টস জিতে প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান। ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেমি স্মিথ ও বেন ডাকেট আক্রমণাত্মক সূচনা করেন। নবম ওভারে প্রথম উইকেট পড়ার আগেই ইংল্যান্ড ৫০ রান পার করে ফেলে। স্মিথ ৪৮ বলে ঝড়ো ৬২ রান করে আউট হন, তখন ইংল্যান্ডের স্কোর ১৬.৩ ওভারে ১১৭।

এই শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে অভিজ্ঞ জো রুট ও তরুণ জ্যাকব বেটেল দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের উপর চড়াও হন এবং তৃতীয় উইকেটে ১৮২ রানের জুটি গড়েন। বেটেল তাঁর প্রথম শতরান করেন—৮২ বলে ১১০ রান। রুট তুলে নেন তাঁর ১৯তম ODI সেঞ্চুরি। এরপর মাঠে নামেন প্রাক্তন হোয়াইট-বল অধিনায়ক জস বাটলার, যিনি মাত্র ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডকে ৫০ ওভারে ৪১৪ রানের বিশাল স্কোরে পৌঁছে দেন।

এটি ছিল ইংল্যান্ডের সপ্তম ৪০০+ স্কোর ODI-তে।

জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুতেই ভেঙে পড়ে—প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই তাদের শীর্ষ চার ব্যাটার প্যাভিলিয়নে। স্কোর দাঁড়ায় ১৮/৫, এরপর ২৪/৬। জোফ্রা আর্চার আগুন ঝরিয়ে চার উইকেট নেন, অপর প্রান্তে ব্রাইডন কার্স দুটি উইকেট তুলে নেন।

করবিন বোশ ও কেশব মহারাজ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের সর্বনিম্ন ODI স্কোর ৬৯-এর নিচে যেতে দেননি। তবে সেই লড়াই বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা ৭২ রানে অলআউট হয়ে যায়—ODI-তে তাদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। ফলাফল: ইংল্যান্ড জয়লাভ করে ৩৪২ রানের ব্যবধানে।

এর আগে ২০২৩ সালে ভারত শ্রীলঙ্কাকে ৩১৭ রানে হারিয়ে রানের ব্যবধানে সর্ববৃহৎ জয়ের রেকর্ড গড়েছিল। একই বছর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া নেদারল্যান্ডসকে ৩০৯ রানে হারিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

শেয়ার করুন