এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে পাকিস্তান প্রথম ১০ ওভারে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিলেও ভারতের বোলিং গভীরতার সামনে শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দেয়। যদিও ১৭১ রান ছিল ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ প্রথম ইনিংস স্কোর, তবুও তা পরিণত হয় আরেকটি পরাজয়ে—এইবার সাত বল হাতে রেখেই।
অভিষেক শর্মা ও শুভমান গিল শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন। প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৯ বলে ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। গিল করেন ৪৭ রান, আর অভিষেক, যিনি ম্যাচের শুরুতে সাহিবজাদা ফারহানের ক্যাচ ফেলেছিলেন, করেন ৩৯ বলে ৭৪ রান। তার ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা।
ফারহান যদিও ফিফটি করেন, কিন্তু এরপর ১১ বলে মাত্র ৭ রান যোগ করে পাকিস্তানের গতি কমিয়ে দেন। পাকিস্তান টানা ৩৯ বল বাউন্ডারি ছাড়া কাটায়, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
পাকিস্তান শুরুতে সাইম আয়ুবকে ওপেনিং থেকে সরিয়ে ফখর জামানকে সুযোগ দেয়, যিনি দ্রুত রান তোলেন। ফারহানও ভালো শুরু করেন, এবং পাকিস্তান পাওয়ারপ্লেতে ৫৫ রান তোলে। তবে বুমরাহ তার টি২০ ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাওয়ারপ্লে দেন—৩৪ রান।
মাঝ ওভারে পাকিস্তান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়, কিন্তু শিভম দুবে ও ভরুণ-চক্রবর্তী- কুলদীপের কৌশলগত বোলিং তাদের আটকে দেয়। ফাহিম আশরাফের ৮ বলে ২০ রান কিছুটা সম্মানজনক স্কোর এনে দেয়।
ভারতের জবাবে অভিষেক প্রথম বলেই ছক্কা মারেন। গিল ও অভিষেক আফ্রিদির গতি কাজে লাগিয়ে ৬৯ রান তোলেন পাওয়ারপ্লেতে—এই এশিয়া কাপে ভারতের সেরা। অভিষেক-রউফের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও ভারতীয় ব্যাটাররা শান্ত ছিলেন। গিলের আউটের পর সূর্যকুমার শূন্য রানে ফেরেন, কিন্তু অভিষেক আবরারকে ১২ বলে ৩২ রান নিয়ে চাপে ফেলেন।
শেষ দিকে সনজু সামসন কিছুটা ধাক্কা খেলেও তিলক বর্মা রউফ ও আফ্রিদিকে ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন। ভারত জয় পায় ৬ উইকেটে, ৭ বল হাতে রেখে।