ভারতকে ঘিরে হ্যান্ডশেক বিতর্কে উত্তাল এক সপ্তাহের পর অবশেষে মাঠে স্বস্তির খোঁজ পেল পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তারা ৪১ রানে হারালো সংযুক্ত আরব আমিরাতকে এবং নিশ্চিত করলো এশিয়া কাপ ২০২৫-এর সুপার ফোরে জায়গা।
টস জিতে আমিরাত পাকিস্তানকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায়। শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে পাকিস্তানের টপ অর্ডার। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। একমাত্র ভরসা ছিলেন ফখর জামান, যিনি সংগ্রামী এক ইনিংসে করলেন ৫০ রান। অন্য প্রান্তে ছিলেন ধ্বংসযজ্ঞ চালানো ইউএই পেসার জুনাইদ সিদ্দিকী, যিনি নিলেন ৪ উইকেট ১৮ রানে, সঙ্গে সিমরনজিত সিং পেলেন ৩ উইকেট ২৬ রানে।
এক পর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ১১৭/৯, মনে হচ্ছিল ১৩০ রানও হয়তো সম্ভব হবে না। কিন্তু সেই সময় নায়কের ভূমিকায় আসেন শাহীন আফ্রিদি। শেষ দিকে তার ঝড়ো ২৯ (১৪ বল)* পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যায় ১৪৬/৯ (২০ ওভার)-এ।
লক্ষ্য ছিল ১৪৭। তবে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারায় আমিরাত। শাহীন আফ্রিদির নতুন বলের আক্রমণ আর পাকিস্তানের স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৭.৪ ওভারে ১০৫ রানে গুটিয়ে যায় পুরো দল।
ম্যাচ চলাকালীন এক সময় পাকিস্তানি ফিল্ডারের থ্রো গিয়ে লাগে আম্পায়ার রুচিরা পাল্লিয়াগুরুগের কানে, খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়েছিল। সৌভাগ্যক্রমে তিনি পরে খেলা চালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
এই জয়ে পাকিস্তান শুধু পরের রাউন্ডে উঠল না, বরং সাম্প্রতিক অফ-ফিল্ড বিতর্কের পর কিছুটা হলেও খুঁজে পেল আত্মবিশ্বাস। অন্যদিকে, হেরে গেলেও শীর্ষ দলের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রশংসা কুড়ালো আরব আমিরাত।
এশিয়া কাপের সুপার ফোর-এ এখন পাকিস্তানের চোখ সামনে — যদিও হ্যান্ডশেক বিতর্কের প্রতিধ্বনি এখনও ঘিরে রেখেছে তাদের।