বর্তমান অধিকাংশ মহাকাশযান রাসায়নিক জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে জ্বালানি বহন ও শক্তি সরবরাহ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। SR-1 Freedom এই সমস্যার সমাধানে পারমাণবিক বিভাজনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং সেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করে উন্নত বৈদ্যুতিক প্রপালশন সিস্টেম চালাবে। এর ফলে দীর্ঘ দূরত্বের মহাকাশ ভ্রমণ আরও কার্যকর ও সাশ্রয়ী হতে পারে। [nasaspaceflight.com], [technologyreview.com]
এই মিশনের অন্যতম আকর্ষণ হলো SkyFall নামের একটি বৈজ্ঞানিক পেলোড। এতে Ingenuity-এর উত্তরসূরি তিনটি মঙ্গল হেলিকপ্টার থাকবে, যা মঙ্গলের ভূপ্রকৃতি, সম্ভাব্য জলসম্পদ এবং ভবিষ্যৎ মানব অভিযানের জন্য উপযুক্ত অঞ্চল শনাক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হবে।
পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের কারণে নিরাপত্তার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। NASA এবং U.S. Department of Energy-এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি রিয়্যাক্টরটি পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ না করা পর্যন্ত সক্রিয় করা হবে না। ফলে উৎক্ষেপণ ও পৃথিবীর নিকটবর্তী পর্যায়ে ঝুঁকি কম থাকবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক বৈদ্যুতিক প্রপালশন প্রযুক্তি ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহসহ সৌরজগতের আরও দূরবর্তী অঞ্চলে দ্রুত ও দক্ষ অভিযানের পথ খুলে দিতে পারে। যদি SR-1 Freedom সফল হয়, তাহলে এটি মহাকাশ ভ্রমণের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।