ব্যানারটি সামনে আসে যখন অনুরাগ ঠাকুর-এর একটি সেনা ইউনিট পরিদর্শনের ছবি প্রকাশিত হয়। ছবিতে “Citizen’s Army”, “Parvavarni” এবং “Achal Eco Warriors” লেখা বোর্ডও দেখা যায়, যা ইঙ্গিত করে যে অনুষ্ঠানটি সম্ভবত একটি পরিবেশ বা ইকো-ব্যাটালিয়ন সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির অংশ ছিল। তবে ব্যানারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এই জল্পনার পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো, “অপারেশন সিন্দুর ২.০” নামটি ইতিমধ্যেই ভারতের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্যে উঠে এসেছে। জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী পূর্বে বলেছিলেন যে “অপারেশন সিন্দুর” এখনও চলমান এবং প্রয়োজন হলে সশস্ত্র বাহিনী “অপারেশন সিন্দুর ২.০”-এর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তিন বাহিনী ভবিষ্যৎ বহুমাত্রিক যুদ্ধের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।
এছাড়া ভারতীয় সেনার কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অতীতে “অপারেশন সিন্দুর ২.০” নিয়ে মন্তব্য করেছেন এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির কথা বলেছেন। তবে বর্তমানে ব্যানারটির সঙ্গে কোনো নতুন সামরিক অভিযান সরাসরি যুক্ত আছে এমন প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক ইউনিটগুলো প্রায়ই মনোবল বৃদ্ধি, প্রস্তুতির বার্তা বা ঐতিহাসিক অভিযান স্মরণে বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার ব্যবহার করে থাকে। তাই শুধুমাত্র একটি ব্যানারের উপস্থিতিকে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের নিশ্চিত সংকেত হিসেবে দেখা উচিত নয়।
যদিও ব্যানারটি ঘিরে জল্পনা চলছে, বাস্তবে কোনো নতুন অভিযানের সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে সরকার বা সেনাবাহিনীর তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও পাওয়া যায়নি।