বাণিজ্যিক শুল্ক: ইউরোপীয় পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র বাজারে প্রবেশ কঠিন করে তোলে।
নিরাপত্তা হুমকি: ন্যাটোতে ইউরোপের ব্যয় বাড়ানোর জন্য ট্রাম্প বারবার চাপ দেন।
রাজনৈতিক বার্তা: ইউরোপকে ‘অপর্যাপ্ত সহযোগী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলেন।
ট্রাম্পের এই নীতি ইউরোপকে বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করেছে। চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোই ইউরোপের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হয়ে উঠেছে।
বাণিজ্যিক সম্পর্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন চীনের বাজারে প্রবেশ বাড়িয়েছে।
প্রযুক্তি সহযোগিতা: সবুজ জ্বালানি, অবকাঠামো ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ শুরু হয়েছে।
কূটনৈতিক ভারসাম্য: যুক্তরাষ্ট্রের চাপ এড়াতে ইউরোপ চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে কৌশলগত ভারসাম্যের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
ট্রাম্পের চাপ ইউরোপকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে।
চীন লাভবান: ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে চীন তার বৈশ্বিক প্রভাব বাড়াচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত: ট্রাম্পের নীতি পশ্চিমা ঐক্যকে দুর্বল করেছে।
বিশ্ব রাজনীতি: নতুন জোট ও সহযোগিতা বিশ্বকে বহুমুখী শক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।