আমাদের প্রত্য়েকেরই স্বপ্ন থাকে সুন্দর একটা বাড়ি বানানোর। কষ্টার্জিত পয়সায় বাড়ি বানাতে গিয়ে আমরা হিমসিম খাই। তারপর যদি সেই জমি হয় বাস্তু দোষয়ুক্ত, তবে আর দুঃখের শেষ থাকে না। বাড়ি বানানোর আগে কোন কোন বিষয়ে নজর দেওয়া উচিৎ সেটাই আজ আলোচনা করব।
বাস্তু জমির প্লটের আকার কেমন হওয়া উচিৎ সেটা বিশদে আলোচনা করব। তার আগে জমির চরিত্র জানা দরকার। জমিটা কি নাবি জমি? না উচু জমি? ঐ জমিতে আগে চাষবাস হত? না ভিটে বাড়ি ছিল? জমিটা শশ্মান বা কবরস্থানের পাশে নয় তো? ঐ জমিতে কেউ কখনও আত্মহত্যা করেনি তো? এসব নিয়ে অনেক বিচার বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। কেননা এসব থাকলে বাস্তু দোষ সৃষ্টি হয়।
এবার আসবো জমির আকার কেমন হওয়া উচিৎ। জমির আকার বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। কিন্তু বাড়ি বানানোর জন্য জমির আকার কেমন হওয়া দরকার? সাধারণতঃ বর্গাকার জমি বাড়ি বানানোর ক্ষেত্রে অতি উত্তম বলে মানা হয়। এ ছাড়া আয়তকার জমিও খুব ভালো। খেয়াল রাখতে হবে জমির চারটি বাহু সমান অথবা বিপরিত বাহুদ্বয় যেন সমান হয়। এছাড়া গো-মুখ আকৃতির জমিও ভালো। কিন্তু শেরমুখী জমির প্লট ভালো নয়। জমিতে ঢোকার প্রধান প্রবেশ দ্বারের দিকটা চওড়া, এমন জমি ভালো নয়। রম্বস বা ট্রাপিজিয়াম আকারের জমি, বাড়ি বানানোর জন্য় ভালো নয়। পঞ্চ-কোণের(pentagon)জমি ভালো নয়,ষট্ কোণের(Hexagon)জমি ভালো। ত্রিভূজাকৃতি ও অর্ধবৃত্তাকার জমির প্লট ভালো নয়। জমির কোন একটা দিক বর্ধিত বা কাটা সে জমিও বাড়ি বানানো পক্ষে অনুপযুক্ত। দক্ষিণ দিকে ঢালযুক্ত জমি বাস্তুর পক্ষে অশুভ। বাস্তু জমিতে গর্ত বা ডোবা জলাশয় থাকাও ভালো নয়।
চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে গৃহকর্তার রাশি, লগ্ন ও নক্ষত্র দেখা খুব দরকার।
v