অনেকেই...">
অনেকেই মনে করেন, হঠাৎ করে শরীর খারাপ হওয়া, কাজের অগ্রগতি থেমে যাওয়া বা ঘরে অশান্তি বাড়ার পেছনে কখনও কখনও নজর দোষ দায়ী হতে পারে। আমাদের সমাজে নজর লাগা নিয়ে নানা ধরনের বিশ্বাস ও প্রচলিত টোটকা রয়েছে। যদিও এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুব বেশি নেই, তবুও অনেক মানুষ মানসিক শান্তি পাওয়ার জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি মেনে চলেন।নজর দোষ কাটানোর একটি প্রচলিত পদ্ধতি হলো শুকনো লঙ্কা ও লবণ ব্যবহার করা। এক মুঠো লবণ ও কয়েকটি শুকনো লঙ্কা নিয়ে যার নজর লেগেছে বলে মনে হয় তার মাথার চারপাশে তিন বা সাতবার ঘুরিয়ে আগুনে ফেলে দেওয়া হয়। অনেকের বিশ্বাস, এতে নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়।লেবু দিয়ে নজর কাটানোর টোটকাও বেশ জনপ্রিয়। একটি লেবু চার টুকরো করে কেটে বাড়ির চার কোণে রেখে দেওয়া হয়। অনেকেই আবার দোকান বা বাড়ির সামনে লেবু ও কাঁচা লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখেন যাতে খারাপ নজর না লাগে।বাড়িতে নিয়মিত ধূপ বা আগরবাতি জ্বালালে পরিবেশ সতেজ থাকে এবং মানসিক শান্তি পাওয়া যায়। অনেকের মতে, এর ফলে ঘরের নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং নজর দোষের প্রভাব কমে।ঘরের মেঝে মাঝে মাঝে লবণ মেশানো জল দিয়ে মুছলে পরিবেশ পরিষ্কার থাকে। অনেকেই মনে করেন, এতে নেতিবাচক শক্তি দূর হয়ে বাড়িতে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়।নজর দোষের ভয় অনেক সময় মানসিক চাপ তৈরি করে। তাই ইতিবাচক চিন্তা করা এবং নিয়মিত প্রার্থনা বা ধ্যান করলে মন শান্ত থাকে। মানসিক শক্তি বাড়লে যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব সহজেই মোকাবিলা করা যায়।অনেক সময় মানুষ অতিরিক্তভাবে নিজের সাফল্য বা সুখ অন্যের সামনে তুলে ধরলে অন্যের ঈর্ষা তৈরি হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সংযত থাকা অনেক সময় ভালো।নজর দোষ নিয়ে মানুষের বিশ্বাস বহুদিনের। যদিও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্পষ্ট নয়, তবুও এই ধরনের কিছু প্রচলিত টোটকা মানলে অনেকেই মানসিকভাবে স্বস্তি পান। তবে সবকিছুর আগে নিজের মনকে শক্ত রাখা এবং ইতিবাচকভাবে জীবনকে দেখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।