বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকা তারকাদের মধ্যে মন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা অভিনয়ের পাশাপাশি নানা ধরনের ব্যবসাও করে থাকেন। কারোর রয়েছে জামা কাপড়ের ব্র্যান্ড তো কারোর রয়েছে নামিদামি রেস্তোরাঁ। বিষত, মুম্বই নগরীতে একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে বেশ কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রীর রয়েছে রেস্তরাঁর ব্যবসা। সেই রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম হলেন মালাইকা অরোরা। প্রায় ৯০ বছর পুরনো পর্তুগিজ একটি বাংলোতেই গড়ে উঠেছে অভিনেত্রীর রেস্তোরাঁ। প্রায়শই এই রেস্টুরেন্টে ভিড় জমাতে দেখা যায় তারকাদের।
প্রসঙ্গত, মালাইকা যেহেতু নিজে স্বাস্থ্য সচেতন তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই আশা করা যায় যে, তাঁর রেস্তোরাঁর খাবারও হবে স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে। মৌনী রায়, শিল্পা শেট্টির মতো মালাইকার রেস্টুরেন্টের খাবারের দামও নাকি আকাশছোঁয়া। এই রেস্তোরাঁর মেনুতে সাধারণ খিচুড়ি থেকে শুরু করে শ্যাম্পেন, কমবেশি প্রায় সব ধরণের খাবারই এখানে পাওয়া যায়। শোনা যায়, এখানকার জলের দামও নাকি চোখে পড়ার মতন। মালাইকার এই রেস্তরাঁর নাম ‘স্কারলেট হাউজ’।
মলয়া নাগপাল ও ধবন উদেশির তৈরী এই রেস্তোরাঁর অর্ধেক মালিকানা রয়েছে মলাইকা ও তাঁর পুত্র অরহান খানের। আড়াই হাজার বর্গফুট এই জায়গাতে কেবল রেস্তোরাঁই নেই, বরং রয়েছে একটি বার ও ক্যাফে। আবার, এই রেস্তোরাঁর অন্তর সজ্জাতে রয়েছে শিল্পের বিশেষ ছোঁয়া। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানে এক বোতল জলের দাম ৩৫০ টাকা। এই জল নাকি ত্বকের বলিরেখা, শরীরে ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। খিচুড়ির দাম আবার ৫৫০ টাকা। অন্যদিকে, আবার বেদানা, তরমুজ, কারি পাতা, লেবু ও বিট দিয়ে তৈরী বিশেষ পানীয় রেস্তরাঁর বিশেষ আকর্ষণ। এই পানীয় পান করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো হয়। এই বিশেষ পানীয়ের দাম ৪৫০ টাকা।
আবার, অ্যালকোহলমুক্ত পানীয়ের দাম ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। এই রেস্তোরাঁয় সবথেকে দামি ককটেলের দাম ২৯ হাজার টাকা। এই রেস্টুরেন্টে ১০০ জনের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। অ্যাভোকাডো টোস্ট-এর দাম ৬২৫ টাকা, এক বিশেষ স্যালাডের দাম ৭২০ টাকা। প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী যে ধরনের খাবার খান তার থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এই রেস্তরাঁর মেনু ঠিক করা হয়েছে।