বিগত বেশ কিছু মাছ ধরে অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তীর সঙ্গে ফেডারেশনের বিরোধিতা চলেছে। আর সেই কারণেই বাংলার সিনে দুনিয়া থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে অনির্বাণকে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে অভিনয় কিংবা পরিচালনার কোন কাজই অভিনেতার হাতে নেই। এদিকে আবার এও শোনা যাচ্ছে যে, ফেডারেশনের আপত্তি থাকার কারণেই ইন্ডাস্ট্রিতে নেই। এতসব কাণ্ডের মাঝে অনির্বাণের হয়ে প্রকাশ্যে নির্দ্বিধায় ক্ষমা চেয়েছেন দেব, শুভশ্রী থেকে শুরু করে রাজ চক্রবর্তী-সহ আরও নামজাদা তারকারা। কিন্তু, তাতেও যে বরফ গলেছিল এমনটা নয়।
এই সময় শহরের এক সংবাদ মাধ্যমকে স্বরূপ বিশ্বাস পাল্টা প্রশ্ন করে বলেছিলেন, সবাই অনির্বাণের হয়ে কথা বলছে। অভিনেতা নিজেই তো কিছুই বলছেন না। তাহলে কি অভিনেতার আর এই জগতে ফেরার ইচ্ছা নেই? সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, অনির্বাণ এবং ফেডারেশনের মধ্যে নাকি দীর্ঘদিনের জমাট বাঁধা বরফ অবশেষে গলেছে। অভিনয় জগতে ফিরতে চলেছেন অনির্বাণ। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোন মন্তব্য করেননি অভিনেতা। এই বিষয়টা অভিনেতার অনুরাগীদের কাছে ভীষণ খুশির খবর। কিন্তু গুঞ্জন, অনির্বাণের নাকি ফেডারেশনের সভাপতি সঙ্গে কথা হয়েছে। এমনকি, তাঁরা মুখোমুখি বসে আলোচনাও করেছেন। তারপরেই নাকি বিষয়টি সম্ভবত ইতিবাচক দিকেই এগিয়েছে।
প্রসঙ্গত, আজ থেকে কিছু মাস আগে শুটিং নিয়ে নানা ধরনের মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। যার জেরে পরিচালক ফেডারেশনের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। এমনকি, সেই ঝামেলা বাড়তে বাড়তে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। সেই সময় জানা গিয়েছিল ১৫ জন পরিচালক ফেডারেশনের বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই ১৫ জন পরিচালকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অনেক অনির্বাণ। শোনা গিয়েছিল তখন ১৫ জন পরিচালক কাজ করার জন্য নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
তবে, পরবর্তীকালে অনির্বাণ ছাড়া বাকিরা প্রায় সকলেই ফেডারেশনের সঙ্গে সমঝোতা করে নেন। হলে তো খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা কাজে ফেরে এবং মামলা খারিজ হয়ে যায়। তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যা রটেছে তা কি আদৌ ঘটেছে? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে শহরের এক সংবাদ মাধ্যম সরাসরি ফেডারেশনের সভাপতি সড়কের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানেন, এই বিষয় নিয়ে তাঁর কাছেও ইতিমধ্যে অনেক ফোন এসেছে। তবে, এখনও পর্যন্ত এরকম কিছু ঘটেছে কিনা তা জানতে গেলে ধৈর্য ধরতে হবে। সময় হলে সবাই সবকিছু জানতে পারবে।