বলিউড জগতের অন্যতম সুপরিচিত অভিনেতা হল অভিষেক বচ্চন। যাঁরা এই অভিষেকের অনুরাগীরা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে কমবেশি অনেকেই জানেন যে, বচ্চন পুত্রর অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি বরাবরই আগ্রহ ছিল উদ্যোগপতি (ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট) হওয়ার। শোনা যায়, বছরে পর বছর ধরে তিনি নাকি চুপিসারে ব্যবসায়ী হয়ে উঠেছেন। অভিনেতা স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে বিনিয়োগ করেছেন প্রতিষ্ঠিত সংস্থায়। জানা যাচ্ছে, অভিনেতা ব্যাক্তিগত ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বিভিন্ন সংস্থায় বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা?
প্রসঙ্গত, ২০২৬-এর ‘গ্লোবাল বিজনেস সামিট’-এ গিয়ে অভিনেতা জানান, তাঁর নাকি কেবল বিশেষ এক ঝাল খাবারের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এক সংস্থায় বিনিয়োগ করেন। এর আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালে এক বিশেষ পণ্যের সংস্থার প্রতি ভালোবাসা থেকে বিনিয়োগ করেন অভিনেতা। সেই সংস্থা ঝাল সস্ তৈরি করে। এই প্রসঙ্গে পর্দার নায়ক জানান, হঠাৎ করে এই সংস্থার নাম তাঁর নজরে আসে। এদিকে, আবার তিনি খবরে বিষয়তে বেশ দক্ষ। একটা সময়ে এই সস্ নিয়মিত ব্যবহার করতেন। পরে এই ব্র্যান্ডকে পছন্দ হওয়ায় প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব রাখেন। তারপর, অভিষেক যুক্ত হওয়ায় সংস্থার অগ্রগতি হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, সেই সংস্থা ২০২২ সালে ১০ লক্ষ আমেরিকান ডলারের বেশি ব্যবসা করেছিল ওই সংস্থা। কাহিনী যে এখানেই শেষ, তা কিন্তু নয়। একদিন অভিনেতা সস্ অর্ডার করা জন্য ‘ফুড ডেলিভারি’ সংস্থার সাহায্য নেন। সেই সময় অভিষেক ঠিক করেছিলেন, ‘ফুড ডেলিভারি’ সংস্থাতেও বিনিয়োগ করবেন। অমিতাভ পুত্রের কথা অনুযায়ী, একদিন ওই সস্টা শেষ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি, কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই কারণে ‘ফুড ডেলিভারি’ সংস্থার অ্যাপ ব্যবহার করে সস্ আনান। এরপর ধীরে ধীরে অভিনেতার ব্যবসায়িক সফর শুরু হতে থাকে। ব্যবসার পাশাপাশি রিয়্যাল এস্টেটেও বিনিয়োগ করেন তিনি। অভিনেতার রিয়্যাল এস্টেটের জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ আনুমানিক ২১৯ কোটি টাকা।