সমালোচনা যেন তাঁদের জীবনে চলার পথের অন্যতম সঙ্গী। তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক থেকে শুরু করে বিয়ে, এমনকি সন্তানকে নিয়েও একাধিকবার ট্রোলড হন সোশ্যাল মিডিয়াতে। কথা হচ্ছে টলিউড মহলের সবথেকে চর্চিত জুটি শ্রীময়ী চট্টরাজ এবং কাঞ্চন মল্লিকের। বলাই বাহুল্য, এই তারকা দম্পতি হাজারও সমালোচনার মাঝে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে রীতিমতো হইহই করে সংসার ধর্ম পালন করছেন। প্রসঙ্গত, এখন চলছে ভালোবাসা উদযাপনের মরসুম। আর, প্রেম দিবসে অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি আইনি মতে বৈবাহিক বন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। তাই, খুব স্বাভাবিকভাবেই আর পাঁচজনের কাছে এই দিনটা কেবলমাত্র ভালোবাসার দিবস হিসাবে উদযাপন করলেও তারকা দম্পতি এই দিন জোড়া সেলিব্রেশন করে থাকেন।
এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এবছর ভ্যালেনটাইন্স ডে কীভাবে পালন করছেন তারকা দম্পতি? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তাঁদের একে অপরের সঙ্গে সারাদিন সময় কাটানো না হলেও রাতে অল্প হলেও নিজেদের মতন করে সময় বের করে নেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, ভালোবাসার দিবসেও সকাল ন'টায় কলটাইম ছিল অভিনেত্রীর। অন্যদিকে, আবার অভিনেতা কাঞ্চন বিধায়কের দায়িত্ব সামলে শুরু করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রেম দিবসে তারা একসঙ্গে নৈশ ভোজের পরিকল্পনা করেছেন। এই বিশেষ ডিনারের আয়োজন পুরোটাই করেছেন কাঞ্চন। আচমকা স্বামীর থেকে সারপ্রাইজ পেয়ে বেজায় খুশি অভিনেত্রী। এই সারপ্রাইজের সঙ্গে আবার একে অপরের মধ্যে উপহার বিনিময়েও হয়ে গেছে।
শোনা যাচ্ছে, কাঞ্চনের দেওয়া পোশাক পরেই ডিনার ডেটে গিয়েছিলেন দুজনে। কাঞ্চন পোশাক ছাড়াও নতুন আইফোন উপহার দিয়েছেন শ্রীময় কে। শ্রীময়ী এত কিছু স্বামীর থেকে উপহার পেয়ে বদলে তাকে কি কি উপহার দিলেন? জানা গেল, স্বামীর পছন্দ পারফিউম এবং পোশাক, সেটাই উপহার দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, আইনি বিয়ের তৃতীয় বর্ষ পূর্তিতে এসে কি উপলব্ধি করছেন কাঞ্চন? অভিনেতা তথা বিধায়ক এমন প্রশ্নের উত্তরে জানান, ২০২৪ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি অভিনেতা তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ্যে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, সে কি সত্যিই তাঁকে বিয়ে করতে চায়? এই প্রশ্নের উত্তরে শ্রীময়ী হ্যাঁ বলেছিলেন। তারপর ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তাঁদের দু'জনের মধ্যে আইনি মতে বিবাহ হয়। আইনি বিয়ের দিন তাঁদের সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উকিলবাবু এবং আরও কয়েকজন। অভিনেতা বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে আরও জানান, আইনি বিয়ের দিন থেকেই তাঁর জীবনের ভুল রাস্তায় চলা গাড়িটাকে ইউ টার্ন করিয়ে সঠিক দিশা দেখিয়েছিলেন শ্রীময়ী। এক কথায় বলতে গেলে, এখন কাঞ্চনের গাড়ির চালক। অভিনেতা কেবল সবকিছুতেই সাহায্যকারী। আবার কথায় কথায় বলেন, তাদের জীবনের গাড়ির নতুন প্যাসেঞ্জার ছোট্ট কৃষভি।